"/> "/>
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ভয়াবহ ভূমিকম্পেও অটুট মাতৃত্ব, জীবিত উদ্ধার মা ও শিশু সিটি করপোরেশন বাদে বিরোধী আসনে ২০ কোটি টাকার বরাদ্দ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব চাকরির জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা নয়, কর্মসংস্থান তৈরি করবে তরুণরা: প্রধানমন্ত্রী বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর হারারে টেস্টে বাংলাদেশের হতাশা, বড় লিড গড়ছে জিম্বাবুয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বছরে একটি গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা আবেদন কঠিন হচ্ছে? নতুন নীতিতে কী কী বদলাল ইসরায়েল কি হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নিঃশর্ত সমর্থন? মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার
  • শীতের তীব্রতায় কাঁপছে বস্তিবাসীরা

    শীতের তীব্রতায় কাঁপছে বস্তিবাসীরা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    প্রায় ৪০ লাখ বস্তিবাসী শীতে কাঁপছে। বিশেষ করে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক, হকার ও নির্মাণশ্রমিকরা।

    মাঝারি থেকে তীব্র শীতে জীবন রক্ষায় ক্লান্ত এই মানুষগুলো রাজধানীর বিভিন্ন সড়কের পাশে, বস্তিতে, বাস ও ট্রেন স্টেশনে নির্ঘুম থাকছেন। উষ্ণতা পেতে তারা একটি কম্বল বা আড়ম্বরহীন আশ্রয়ের জন্য পথ চেয়ে থাকেন।


     রাজধানীতে বিরাজমান তীব্র শীতে কাঁপছে প্রায় ৪০ লাখ বস্তিবাসী। বিশেষ করে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক, হকার ও নির্মাণশ্রমিকরা। মাত্রাতিরিক্ত শীতে জীবন রক্ষায় ক্লান্ত তারা। রাজধানীর বিভিন্ন সড়কের পাশে, বস্তিতে, বাস ও ট্রেন স্টেশনে শীতে জবুথবু খেটে খাওয়া এ মানুষগুলো নির্ঘুম থাকছেন। একটু উষ্ণতা পেতে তারা একটা কম্বলের আশায় পথ চেয়ে থাকেন।

    সম্প্রতি আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, ঢাকা শহরে প্রায় পাঁচ হাজার বস্তি আছে। এসব বস্তিতে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের বাস। বস্তিতে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৫০ হাজার মানুষ বাস করে। ঢাকা সিটি করপোরেশনের এক জরিপ বলছে, বস্তির শিশুরা শহরের অন্য এলাকায় বসবাসকারী শিশুদের তুলনায় তিনগুণ বেশি রোগাক্রান্ত হয়। এই অনিশ্চিত জীবন যাত্রার মধ্যে প্রতি বছর শৈত্যপ্রবাহ তাদের ভোগান্তি আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে।

    তারই ধারাবাহিকতায় মধ্য পৌষে গত দুই দিন যাবৎ রাজধানীতে কনকনে ঠাণ্ডা আর শৈত্যপ্রবাহে নগরজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। তীব্র শীতে রাজধানীর প্রায় ৪০ লাখ ছিন্নমূল মানুষের রাত কাটে অসহনীয় দুর্ভোগে। কমলাপুর রেলস্টেশন, শাহবাগ, টিএসসি, গুলিস্তান, ফকিরাপুল, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ফুটপাথে অবস্থান নেয়া নি¤œবিত্ত মানুষ খোলা আকাশের নিচে দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছেন।

    ফকিরাপুল বাজারে অবস্থান নেয়া মুজিবুর রহমান জানান, তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে কাজ করে চারজনের সংসার চালান। কিন্তু অতিরিক্ত শীতের কারণে রাত জেগে কাটাতে হচ্ছে। আর সকালে কাজ করতে যাওয়াটাও অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অসহনীয় ঠাণ্ডায় রাত জেগে কাটানোর পর সকালে কাজে যাওয়াটা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে এখন জীবন চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তার ভাষ্য- জীবিকার তাগিদে ঠাণ্ডার মধ্যেই দিন শুরু করতে হচ্ছে। হঠাৎ ঠাণ্ডা বেড়ে যাওয়ায় শরীরও ঠিকমতো চলে না। কিন্তু কাজ না করলে আবার সংসারও চলে না।

    মতিঝিল কলোনিতে বাস করা রোমেনা আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, স্বামী সন্তান নিয়ে ভয়ানক সময় পার করছি। সারা দিন ঠাণ্ডায় অসহনীয় সময় পার করতে হচ্ছে। আর রাতে দুর্ভোগ আরো বেড়ে যায়। অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় না ঘুমিয়ে আগুন পোহাতে হয়। এরপর সকালে একটু সূর্যের দেখা পেলে কিছুটা স্বস্তি মেলে। গভীর রাতে শীত নিবারণে যখন সবাই লেপ-কম্বলে ওম খোঁজেন, তখন তারা খোলা আকাশের নিচে টিকে থাকতে জীবন যুদ্ধ করেন। কারো প্লাস্টিকের বস্তা আবার কারো পুরানো কাপড় দিয়ে শরীরটা ঢেকে ঠাণ্ডা থেকে নিস্তার পাওয়ার চেষ্টা চলান। তার পরও হিম বাতাসে খানিক পরপরই শীতে কেঁপে ওঠে সারা শরীর।

    যদিও আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, কুয়াশার অবস্থান দুপুর পর্যন্ত হওয়ায় তাপমাত্রা কমে যাচ্ছে। আগামী সাপ্তাহে দেশের বিভিন্ন স্থানে শৈত্যপ্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপাতত আবহাওয়া এমন অবস্থায় থাকবে।

    এর আগে শনিবার দেশের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮.৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও নীলফামারীর ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে।

    তবে উত্তরের শেষ প্রান্ত, হিমালয়ের ঘেঁষা জেলা পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা আরো বেশি। চরাঞ্চলে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় রুটিরুজি কমে গরিব মানুষ কষ্টে আছেন। সন্ধ্যার আগেই কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে পুরো এলাকা। রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ঘন কুয়াশার কারণে গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে বাড়তি সতর্কতার জন্য সাড়ে ১৪ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন ঘরমুখী হাজারো মানুষ।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    A PHP Error was encountered

    Severity: Core Warning

    Message: PHP Startup: Unable to load dynamic library 'imap.so' (tried: /opt/alt/php74/usr/lib64/php/modules/imap.so (libc-client.so.2007: cannot open shared object file: No such file or directory), /opt/alt/php74/usr/lib64/php/modules/imap.so.so (/opt/alt/php74/usr/lib64/php/modules/imap.so.so: cannot open shared object file: No such file or directory))

    Filename: Unknown

    Line Number: 0

    Backtrace: