শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • জাপান সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় হেফাজতে বন্ধু দীপ মিরাজ-তাইজুলের ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এগিয়ে বাংলাদেশ উড্ডয়নের আগে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, ঢাকায় ফিরতে বিলম্ব শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৮৬ জন তাহসিফের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তের আগে মন্তব্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাদেবপুরে গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পরিদর্শনে ডিডিএলজি সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৩১৫
  • গণভোট–নির্বাচন একসাথে না হলে জনগণ তা মেনে নেবে না: মির্জা ফখরুল

    গণভোট–নির্বাচন একসাথে না হলে জনগণ তা মেনে নেবে না: মির্জা ফখরুল
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালির আগে এক সমাবেশে তিনি এ দাবি জানান।

    মির্জা ফখরুল বলেন, “আজ যে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, সেই সংস্কারের সূচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বিএনপি যে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে বা নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, তা জুলাই সনদে লিপিবদ্ধ করা হয়নি।”

    তিনি আরও বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে গণভোট ও নির্বাচন একই দিনে আয়োজন করতে হবে।”

    বিএনপি নেতাকর্মীরা সমাবেশে ব্যানার–ফেস্টুন হাতে স্লোগান দেন “গণভোটে জনগণের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত”—এই শ্লোগানে।

    হাসিনা পালানোর পর দেশের মানুষ নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ করতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি আবারও আলোচনায় বসে, তাহলে এতোদিন ধরে ঐক্যমত্য কমিশন যে আলোচনা করেছে তার কী মানে হলো।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আধুনিক গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সংস্কারের জন্য ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন তারেক রহমান। সেই সংস্কারের কাজ এই অন্তর্বর্তী সরকার শুরু করলে আমরা তাদের পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছি। প্রায় এক বছর এই সড়ক তৈরির কাজ করেছেন তারা। গত ১৭ অক্টোবর সব দল একমত হয়েছে- যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোতে আমরা স্বাক্ষর করেছি। 

    তিনি বলেন, আমরা যেগুলো গ্রহণ করিনি, কনফারেন্স করে তা বলেছি। পরবর্তীতে আমরা দেখলাম, হঠাৎ করেই উপদেষ্টা কাউন্সিলের একজন সদস্য প্রেস কনফারেন্স করে বললেন যে তাদের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে- রাজনৈতিক দলগুলোকে সাত দিন সময় দেয়া হবে, যাতে তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তাহলে এতদিন ধরে যে ঐক্যবদ্ধ কমিশনে বসে সংস্কারের প্রস্তাবগুলো নিয়ে কাজ করেছেন, সেখানে আমাদের প্রতিনিধি ছিল, সব দলের প্রতিনিধি ছিল- তাহলে এটা কেমন হলো? অসংখ্য টাকা খরচ করে কাজটি করলেন, সেটাতে রাজনৈতিক দলগুলোর কোনো সমস্যা সমাধান হলো না।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন