মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ভয়াবহ ভূমিকম্পেও অটুট মাতৃত্ব, জীবিত উদ্ধার মা ও শিশু সিটি করপোরেশন বাদে বিরোধী আসনে ২০ কোটি টাকার বরাদ্দ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব চাকরির জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা নয়, কর্মসংস্থান তৈরি করবে তরুণরা: প্রধানমন্ত্রী বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর হারারে টেস্টে বাংলাদেশের হতাশা, বড় লিড গড়ছে জিম্বাবুয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বছরে একটি গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা আবেদন কঠিন হচ্ছে? নতুন নীতিতে কী কী বদলাল ইসরায়েল কি হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নিঃশর্ত সমর্থন? মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার
  • শৈত্যপ্রবাহে কাঁপবে দেশ, তিন দফায় তীব্র হতে পারে শীত

    শৈত্যপ্রবাহে কাঁপবে দেশ, তিন দফায় তীব্র হতে পারে শীত
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলতি নভেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে অন্তত ১০টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে, যা দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে বেশি প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, নভেম্বর মাস থেকেই দেশের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে কয়েক দফা মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ দেখা যেতে পারে। এসব শৈত্যপ্রবাহে দিনের তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও কুষ্টিয়া অঞ্চলে।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, আসন্ন শীত মৌসুমটি আগের বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি দীর্ঘ ও শীতল হতে পারে। তারা জানিয়েছেন, শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি ঘন কুয়াশা এবং মাঝেমধ্যে হালকা বৃষ্টিও দেখা দিতে পারে, যা পরিবহন ব্যবস্থায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

    রোববার (৩ নভেম্বর) রাতে মৌসুমি পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবারের শীত স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা দীর্ঘ ও শীতল হতে পারে। শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি কুয়াশা, বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার ওঠানামা দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলবে।

    পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এবার ৪ থেকে ৭টি মৃদু মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে। এর মধ্যে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং মধ্যাঞ্চলে দুই থেকে তিনটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সময় থার্মোমিটারের পারদ নেমে যেতে পারে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত।

    অন্যদিকে নভেম্বরে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সাগরে ৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এই মাসেই দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু করবে।

    মৌসুমি পূর্বাভাসে বলা হয়, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত হতে পারে মৌসুমের সবচেয়ে ঠান্ডা সময়। এ সময় দেশের বেশির ভাগ স্থানে মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বইবে।

    এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা কিছুটা বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। সাগরে দুই থেকে ৪টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে দুটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এখন থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে।’


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ