সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ডিএমপিতে এসি পদমর্যাদার ৩ কর্মকর্তার পদায়ন, একজনের বদলি বাতিল ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল এনসিপি অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০ পারসেন্ট দিয়েন: আসিফ মাহমুদ ময়মনসিংহ মেডিকেলে ডেঙ্গুর উপসর্গে আরও দুজনের মৃত্যু ফিট শরীরের জন্য প্রতিদিনের ৫ সহজ অভ্যাস মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশের অগ্রগতির চাবিকাঠি: মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের প্রতিবাদ ছাত্রদলের ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৭ সাতকানিয়ায় বাসের ধাক্কায় আহত স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
  • ব্যানার বিতর্কে সহিংসতা, চট্টগ্রামে যুবদলকর্মীর করুণ মৃত্যু

    ব্যানার বিতর্কে সহিংসতা, চট্টগ্রামে যুবদলকর্মীর করুণ মৃত্যু
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানা এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা রক্তাক্ত সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের ছবিযুক্ত একটি ব্যানার টানানো ও পরে তা সরানোকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
    সংঘর্ষে মো. সাজ্জাদ (২৬) নামে এক যুবদলকর্মী প্রাণ হারান। আহত হন অন্তত আটজন, যাদের সবাইকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে, যাতে আর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি না ঘটে।
    স্থানীয়রা জানান, ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে রূপ নেয়, যা শেষ পর্যন্ত প্রাণহানির ঘটনায় পরিণত হয়।

    সোমবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে থানার এক্সেস রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাতে মেয়রের ছবিযুক্ত একটি ব্যানার সরানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া–পাল্টাধাওয়া ও গুলির ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান এবং কয়েকজন আহত হন।

    যদিও স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, এলাকাটিতে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আধিপত্য ও মাদক ব্যবসা–সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি ব্যানার টানানো নিয়ে বিরোধ আরও তীব্র হয়। সোমবার রাতে ব্যানার সরানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

    মিনহাজুল ইসলাম নামে একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, মধ্যরাতে হঠাৎ গুলির শব্দ শুনে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। পরে দেখি কয়েকজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

    চমেক হাসপাতালে ছাত্রদলের নেতা পরিচয় দিয়ে জিএম সালাউদ্দিন আসাদ নামে একজন বলেন, যুবলীগের সন্ত্রাসীরা যুবদলের পরিচয় দিয়ে নানা অপকর্ম করছে। মেয়রের ছবি লাগিয়ে তারা ব্যানার পোস্টার ঝুলিয়েছিল। মেয়রের লোকেরা তা খোলার নির্দেশ দিলে আমাদের ছেলেরা ব্যানার খুলতে যায়। তখন তাদের তুলে নিয়ে মারধর করা হয়। পরে উদ্ধার করতে গেলে ভবনের ছাদ থেকে এলোপাতাড়ি গুলি করা হয়। এতে সাজ্জাদ মারা যায়।

    চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা এমদাদুল বাদশা বলেন, হামলাকারীরা গুলি করার আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়। তারা বিএনপির কেউ নয়, আগে যুবলীগ করত। ৫ আগস্টের পর যুবদলের নাম ব্যবহার করে নানা অপকর্ম করছে।

    চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশিক বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবককে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার বুকে গুলির আঘাত ছিল। গুলিবিদ্ধসহ আরও আটজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন