রবিবার, ০৩ মে ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের যাত্রা শুরু সিলেটে, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত ভাড়ার বেশি না নিতে নির্দেশ দিল পরিবহন মালিক সমিতি স্থবিরতা কাটিয়ে আবারও চালু হচ্ছে ভারতীয় ভিসা! নিখোঁজের ১০ দিন পর মিলল নাহিদা বৃষ্টির লাশ ঢাকা-সিলেট রেলপথে যুক্ত হচ্ছে ডাবল লাইন : প্রধানমন্ত্রী নতুন কারিকুলামে ডিসেম্বরে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার পরিকল্পনা হামে প্রাণ গেল আরও ৪ শিশুর বৃষ্টির বাধায় অনিশ্চিত ম্যাচ, কীভাবে ঠিক হবে ম্যাচের ভাগ্য? সিলেটে বাঁশিয়া খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান: জ্বালানিমন্ত্রী
  • মিডিয়ার স্বাধীনতা নেই, এখনও নিয়ন্ত্রিত: নাহিদ ইসলাম

    মিডিয়ার স্বাধীনতা নেই, এখনও নিয়ন্ত্রিত: নাহিদ ইসলাম
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, দেশের মিডিয়া এখনও পূর্ণ স্বাধীনতার সঙ্গে কাজ করতে পারছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সরকারের বা ক্ষমতাসীন দলগুলোর প্রভাব এখনো লক্ষ্য করা যায়, যার ফলে সাংবাদিকরা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তথ্য পরিবেশন করতে পারেন না। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রচারের জন্য মিডিয়ার উপর চাপ কমানো জরুরি।

    বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    এদিন জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের মতো অবশিষ্ট সাক্ষ্য দেন এনসিপির এই আহ্বায়ক।

    সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে নাহিদ বলেন, আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী মিডিয়া সংস্কার হয়নি। যদিও আমিও দায়িত্বে ছিলাম। মিডিয়া এখনও নিয়ন্ত্রিত বলে আমি মনে করি। ডিজিএফআই আগে যেভাবে মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ বা বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশ করতো, এখনও সেই চর্চা রয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, আমি যে সময়টুকু দায়িত্বে পেয়েছিলাম, আমরা গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করেছিলাম। তাদের দায়িত্ব ছিল পুরো বিষয়টা সংস্কার প্রস্তাবনা করে সরকারের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা। এছাড়া বিভিন্ন অভিযোগে হওয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলার পর্যালোচনা নিয়ে মন্ত্রণালয় থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। যেন এসব মামলা প্রসঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করা হয়। তারা সুপারিশও করেছিল। বাকিটা আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ছিল। অর্থাৎ সংবাদকর্মী হিসেবে যারা ফ্যাসিবাদের দোসর ছিলেন,তাদের বিচারের আওতায় আনার।

    এদিন বেলা সোয়া ১১টা থেকে ট্রাইব্যুনালে ৪৭ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন নাহিদ ইসলাম। দুপুরে তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিরতি দেওয়া হয়। এরপরই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম এ নায়ককে জেরা করবেন শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন।

    ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম, আবদুস সাত্তার পালোয়ান, মামুনুর রশীদসহ অন্যরা।

    এদিকে, আজ সকালেও ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার অন্যতম আসামি থেকে রাজসাক্ষী হয়ে জবানবন্দি দেওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে। তার উপস্থিতিতেই জবানবন্দি দিচ্ছেন সাক্ষীরা।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আরও পড়ুন