বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ফেনীর পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মরিয়মের মৃত্যু: আপসনামার পরও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি এলপিজি সরবরাহে ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট হলে ব্যবস্থা: জ্বালানি মন্ত্রী আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৮ রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী: মাসব্যাপী উন্নয়ন কার্যক্রমের সমাপনী নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশেই রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ রাশেদ খাঁনের মিরপুরে সংঘর্ষের পর সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবিক রাষ্ট্রের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন
  • গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৫১ জনের মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৫১ জনের মৃত্যু
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলের বর্বরতা থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় দখলদার বাহিনীর হামলায় আরও ৫১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে অনেকেই নারী ও শিশু। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে গাজায় হামলার ধারা অব্যাহত থাকায় হতাহতদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

    সোমবার (২৫ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

    এতে বলা হয়, গাজায় নিহত ৫১ জনের মধ্যে মানবিক সহায়তা নিতে গিয়ে প্রাণ গেছে ২৪ জনের। অনাহার ও অপুষ্টিতে মৃত্যু হয়েছে আরও ৮ জনের। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অপুষ্টি ও অনাহারে এখন পর্যন্ত ২৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১১৫ জন শিশু।

    এছাড়া ইসরায়েলি বাহিনী গত ৬ আগস্ট গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে জেতুন ও সাবরা মহল্লায় এক হাজারেরও বেশি ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে।

    ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্সের দাবি, ইসলায়েলের বর্বর হামলায় শত শত মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে। টানা গোলাবর্ষণ ও অবরুদ্ধ সড়কের কারণে অধিকাংশ এলাকায় উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।

    সংস্থাটি আরও জানায়, জরুরি কর্মীরা অসংখ্য মানুষের নিখোঁজের খবর পাচ্ছেন, কিন্তু সাড়া দিতে পারছেন না। অন্যদিকে, হাসপাতালেও প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়েছে। আহতদের সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    সিভিল ডিফেন্স বলছে, গাজার কোথাও নিরাপদ এলাকা নেই। উত্তর থেকে দক্ষিণ- সবখানেই বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করে ঘরবাড়ি, আশ্রয়কেন্দ্র এমনকি ত্রাণ শিবির পর্যন্ত বোমা বর্ষণ চলছে। গাজা শহর দখলে নিতে দখলদার বাহিনী ট্যাংক নিয়ে সাবরা এলাকায় ঢুকে পড়েছে। এতে প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনিকে দক্ষিণ দিকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী ৬২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। যে অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ নিশ্চিত করা হয়েছে, সেই অঞ্চলটি বিধ্বস্ত এবং বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।


    দৈএনকে/ জে. আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন