বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ফেনীর পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মরিয়মের মৃত্যু: আপসনামার পরও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি এলপিজি সরবরাহে ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট হলে ব্যবস্থা: জ্বালানি মন্ত্রী আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৮ রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী: মাসব্যাপী উন্নয়ন কার্যক্রমের সমাপনী নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশেই রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ রাশেদ খাঁনের মিরপুরে সংঘর্ষের পর সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবিক রাষ্ট্রের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন
  • প্রিয় নুডলস খাওয়ার পর কিশোরের আকস্মিক মৃত্যু

    প্রিয় নুডলস খাওয়ার পর কিশোরের আকস্মিক মৃত্যু
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ছেলেটির প্রিয় খাবার ছিল নুডলস। মাগরিবের নামাজ ও কোরআন মুখস্থ করার ক্লাস শেষে ঘরে ফিরেই সে তিনটি প্যাকেট কাঁচা নুডলস খেয়ে ফেলে। কিন্তু এই প্রিয় খাবারই তার জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনে। তীব্র পেট ব্যথায় কিশোরটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

    হৃদয় বিদারক এ ঘটনাটি ঘটেছে মিসরের কায়রোতে। ঘটনাটি ভাইরালের পর জনসাধারণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং খাদ্য নিরাপত্তা তদারকির দাবি উঠেছে।

    সম্প্রতি আল অ্যারাবিয়ার এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য। 

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামজা নামে পরিচিত ওই কিশোর কায়রোর এল-মার্গ জেলায় নিজ বাড়িতে জনপ্রিয় ইন্দোনেশিয়ান ব্র্যান্ড ইন্দোমির নুডলস খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়ে।

    পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদসহ কায়রোর নিরাপত্তা অধিদপ্তরের প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, সন্ধ্যার নামাজ এবং কুরআন মুখস্থ করার ক্লাস থেকে ফিরে আসার পরপরই শুকনো নুডলস খেয়ে ফেলেছিল হামজা। এর ফলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

    মিসরীয় দৈনিক আল-মাসরি আল-ইয়ুমকে তার বাবা জানান, ছেলেটি তার প্রিয় খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যেই বমি, ঘাম এবং তীব্র পেটে ব্যথা অনুভব করতে শুরু করে। হামজাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ডাক্তাররা বিষক্রিয়ার সন্দেহ করেন এবং পরিবারকে তাকে একটি টক্সিকোলজি সেন্টারে স্থানান্তর করার নির্দেশ দেন। শনিবার (১৬ আগস্ট) সেন্টারে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

    পূর্ববর্তী কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, সে বাড়িতেই মারা গেছে। কিন্তু তার বাবা স্পষ্ট করে বলেছেন, হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর টক্সিকোলজি সেন্টারে নেওয়ার পথে তার ছেলে অ্যাম্বুলেন্সেই মারা গেছে। মেডিকেল পরীক্ষায় তার শরীরে কোনো মাদক বা অবৈধ পদার্থের আলামত পাওয়া যায়নি।

    এদিকে মিসরের পাবলিক প্রসিকিউশন সেই নুডলস বিক্রি করা দোকানের মালিককে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছে এবং পণ্যটির তদন্ত শুরু করেছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য নুডলসের প্যাকেট থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং মৃত্যুর কারণ নির্ধারণের জন্য হামজার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন