ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন করার যথেষ্ট সুযোগ ছিল: দুদু

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব উল্লেখ করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকরা জানেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন করার যথেষ্ট সুযোগ ছিল।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে অপরাজেয় বাংলাদেশ আয়োজিত যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন দুদু।
তিনি বলেন, তবে অনুকরণীয় নির্বাচন উপহার দিতে সরকার ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় চেয়েছে। তাই ফেব্রুয়ারিতেই যেন নির্বাচন হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। সরকার প্রধান হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তিনি একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন করতে চান। সেই বিবেচনায় আমরা ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির নির্বাচন মেনে নিয়েছি।
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য গ্রহণযোগ্য, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার মন্তব্য করে দুদু বলেন, স্বৈরতন্ত্রের পতন হয়েছে গণতন্ত্রের লক্ষ্যে, মুক্তির লক্ষ্যে, স্বাধীনতার লক্ষ্যে, অধিকারের লক্ষ্যে। সেই অধিকার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া আমরা ফিরে পাব না। গণতন্ত্র প্রষ্ঠিায় গ্রহণযোগ্য, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার। সেই নির্বাচন ঘোষিত হয়েছে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে। এতে জনগণ উল্লসিত হয়েছে। তবে সতর্ক থাকতে হবে এই ফেব্রুয়ারি মাস যেন কোনোভাবেই অতিক্রম না করে।
কে নির্বাচিত হবে জনগণ তা নির্ধারণ করবে জানিয়ে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। গত তিনটি নির্বাচনে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কবরাস্থ করেছে। শেখ হাসিনা শুধু গণতন্ত্রকে কবরাস্থ করেছে-এটাই বড় কথা নয়, তিনি বাংলাদেশে গণহত্যা চালিয়েছে। আমাদের ছেলেমেয়েকে হত্যা করেছে, আমাদের সম্পদকে লুণ্ঠিত করে বিদেশে পাচার করেছে। গণহত্যার বিচার ও টাকা ফেরত আনা একটা চলমান প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে নির্বাচন হতে হবে, নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রয়োজনীয় সংস্কার চলমান থাকবে।
দুদু বলেন, গণতন্ত্র নিয়ে যদি কেউ টালবাহানা করে, নির্বাচন নিয়ে যদি কেউ টালবাহানা করে তাহলে বুঝতে হবে তারা ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে চাচ্চে। সেজন্য আমাদের সাবধান থাকতে হবে। তারেক রহমান যেভাবে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করেছেন; তার নেতৃত্বে আমরা নির্বাচিত সরকারও প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।