শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • লক্ষ্মীপুরে নিহত ৪ শিক্ষার্থীর বিচারের দাবিতে স্বজনদের আহাজারি

    লক্ষ্মীপুরে নিহত ৪ শিক্ষার্থীর বিচারের দাবিতে স্বজনদের আহাজারি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    লক্ষ্মীপুরে আলোচিত “জুলাই আন্দোলনে” ৪ শিক্ষার্থী হত্যার এক বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র হামলায় শহীদ হন সাদ আল আফনান, কাউছার হোসেন বিজয়, ওসমান পাটোয়ারী ও সাব্বির হোসেন। গুলিবিদ্ধ ও আহত হন আরও দুই শতাধিক শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।

    এক বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। মূল অভিযুক্তরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় নিহতদের পরিবার ও সহপাঠীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    শহীদ সাদ আল আফনানের মা নাছিমা আক্তার বলেন, “আমার ছেলে শহীদ হয়েছে একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নে। অথচ সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে না। দোষীদের গ্রেপ্তার না করে নির্বাচনমুখী প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সবাই। এটা আমাদের জন্য অপমানজনক।”

    শহীদ সাব্বির হোসেনের বাবা আমির হোসেন বলেন, “এক বছর পার হলেও কোথাও কোনো আয়োজন নেই। হত্যাকারীরা এখনও সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়, কেউ কেউ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আমরা শুধু একটাই দাবি—বিচার হোক, দৃষ্টান্তমূলক বিচার।”

    বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা মো. আরমান হোসেন অভিযোগ করেন, “ওইদিন সন্ত্রাসী টিপুর নেতৃত্বে ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়। শহীদ পরিবারগুলো এখনও হুমকি-ধামকির মধ্যে রয়েছে। দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা না হলে আন্দোলন জোরদার করা হবে।”

    এই ঘটনায় দায়েরকৃত পাঁচটি মামলায় প্রায় এক হাজার এজাহারভুক্ত এবং দেড় থেকে দুই হাজার অজ্ঞাত আসামি থাকলেও গ্রেপ্তার হয়েছে মাত্র ২৭০ জন।

    লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ বলেন, “মোট পাঁচটি মামলায় এখন পর্যন্ত ২৭০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

    নিহতদের স্বজনরা বলছেন—এই বিচার শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভ মেটানোর বিষয় নয়, বরং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জরুরি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন