শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • কুমিল্লায় ট্রিপল মার্ডার: র‍্যাবের অভিযানে গ্রেফতার ৬

    কুমিল্লায় ট্রিপল মার্ডার: র‍্যাবের অভিযানে গ্রেফতার ৬
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কুমিল্লার মুরাদনগরের কড়ইবাড়ি গ্রামে মা, ছেলে ও মেয়েকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

    শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরে র‍্যাব সদর দপ্তরের মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক মুত্তাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মুরাদনগরের চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় র‍্যাব-১১ অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

    তবে প্রাথমিকভাবে গ্রেফতারদের নাম ও বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করেনি র‍্যাব।

    এর আগে, গতকাল শুক্রবার দিনগত রাতে নিহতের মেয়ে রিক্তা আক্তার বাদী হয়ে ৬৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর যৌথবাহিনী প্রথম দফায় গ্রেফতার করে কড়ইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মো. সবির আহমেদ (৪৮) ও মো. নাজিমউদ্দীন বাবুল (৫৬) কে।

    গত বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কড়ইবাড়ি গ্রামে একটি মোবাইল ফোন চুরি এবং মাদক ব্যবসার অভিযোগ তুলে স্থানীয় কিছু মানুষ খলিলুর রহমানের পরিবারকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয় তার স্ত্রী রোকসানা আক্তার রুবি (৫৮), ছেলে রাসেল মিয়া (৩৫) ও মেয়ে জোনাকি আক্তারকে (৩২)।

    নিহত রুবির আরেক মেয়ে রুমা আক্তার (২৫) এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দার ঝড় বইছে। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, গুজব ও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে সংঘটিত হয় এ গণপিটুনি। তবে স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও সামাজিক দ্বন্দ্ব ছিল নিহতদের সঙ্গে প্রতিবেশীদের।

    এ ঘটনায় পুলিশ ও র‍্যাবের পৃথক দল তদন্তে কাজ করছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, দোষীদের আইনের আওতায় আনতে যা যা প্রয়োজন, সবই করা হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন