নাঈমের ৫২ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৭০ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

তাওহীদ হৃদয়, তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাস—বাংলাদেশের প্রথম সারির তিন ব্যাটারের কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। সাদমান ইসলাম ও নাজমুল হোসেন শান্ত দুই অঙ্কে গেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। স্বীকৃত ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে দলের হাল ধরেছেন নাঈম হাসান। টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটিতে তাঁর ৫২ রানের ইনিংসে ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৭০ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ।
মিরপুরের উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার রস্টন চেজ ও জোমেল ওয়ারিকানের বল সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। উইকেটে টার্নের পাশাপাশি বল নিচু হয়ে আসায় রান তোলা কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে লোয়ার অর্ডারে নাঈমের লড়াকু ইনিংস বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
চতুর্থ দিনের খেলা শুরু হয় আগের দিনের ২৯ ওভারে ৬ উইকেটে ৭৯ রান নিয়ে। দিনের পঞ্চম বলেই ওয়ারিকানকে চার মারেন জাকের আলী অনিক। মুমিনুল হক ছিটকে যাওয়ায় কনকাশন বদলি হিসেবে দলে সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। তবে চার মারার পরের বলেই স্লিপে রস্টন চেজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন জাকের।
৩৪ বলে ২ চারে ২২ রান করেন তিনি। তাঁর বিদায়ে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ২৯ ওভারে ৬ উইকেটে ৮৪ রান। এর মধ্য দিয়ে সপ্তম উইকেটে নাঈম ও জাকেরের ৫০ বলে ৩১ রানের জুটি ভেঙে যায়।
এরপর অবশ্য ফিল্ডিংয়ে একাধিক সুযোগ হাতছাড়া করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চতুর্থ দিনে ওয়ারিকানের বলে তিনটি ক্যাচ মিস করেন ক্যারিবীয় ফিল্ডাররা। এর মধ্যে হাসান মাহমুদের একটি ক্যাচ নিজের বোলিংয়েই নিতে পারেননি ওয়ারিকান। ৩১.২ ওভারে হাসানের রান তখন মাত্র ১। ওই ক্যাচটি নিতে পারলে ৮৬ রানেই অষ্টম উইকেট হারাতে পারত বাংলাদেশ।
ওয়ারিকানের বলে আরও দুবার জীবন পান নাঈম। ৩৪তম ওভারের প্রথম বলে প্রথম স্লিপে তাঁর ক্যাচ ছাড়েন চেজ। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বলটি সীমানাছাড়া করেন নাঈম। তখন তাঁর রান ছিল ২১। এরপর ৩৬তম ওভারের শেষ বলেও ওয়ারিকানের বলে নাঈমের ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন চেজ। দ্বিতীয়বার জীবন পাওয়ার সময় নাঈমের রান ছিল ২৯।