সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • কালকিনি ইউএনও -এর সঙ্গে ফ্রেন্ডশীপ ব্লাড ডোনেট ক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৯৮ ভুল হাতে এআই গেলে ১০০ কোটি মানুষের মৃত্যু হতে পারে: বিল গেটস ভারতের চার রাজ্যে টানা বর্ষণ, উত্তরপ্রদেশে ১৭ জনের মৃত্যু রাড্ডা হাসপাতাল পুনর্নির্মাণে ৫০ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা শফিকুর রহমানের সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হারল বাংলাদেশ কাউকে সন্তুষ্ট করতে নয়, প্রয়োজন অনুযায়ী বোয়িং কেনা হবে: হুমায়ুন কবির বিশ্ব শিক্ষক দিবসে জাতীয় সম্মাননা পাবেন ১০০ গুণী শিক্ষক সাংবাদিক গ্রেপ্তারের আগে আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবে একমত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সন্তান আছে, তবুও পাশে নেই কেউ, সদর  হাসপাতালে অসহায় ৭০ বছরের ‘ফুলি’
  • ভারতের চার রাজ্যে টানা বর্ষণ, উত্তরপ্রদেশে ১৭ জনের মৃত্যু

    ভারতের চার রাজ্যে টানা বর্ষণ, উত্তরপ্রদেশে ১৭ জনের মৃত্যু
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    টানা ভারী বর্ষণ ও বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ভারতের উত্তরপ্রদেশে ৪৮ ঘণ্টায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ওড়িশা, বিহার ও ছত্তীশগড়েও অতিবৃষ্টিতে বন্যা, জলাবদ্ধতা ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    সোমবার উত্তরপ্রদেশ সরকারের ত্রাণ কমিশনারের দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ১৭ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার থেকে উত্তরপ্রদেশে বৃষ্টি শুরু হয়। রাজ্যের ৭৫টি জেলার মধ্যে ৬৩টিতেই স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির মাত্রা ছিল সবচেয়ে বেশি। এ সময়ে রাজ্যজুড়ে ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১৯ গুণ বেশি।

    ত্রাণ কমিশনারের দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪৮ ঘণ্টায় আমেথি, বাহরাইচ, বান্দা, বারাবাঙ্কি, বাস্তি, ফতেহপুর, হামিরপুর, হারদোই ও কানপুরে একজন করে এবং অযোধ্যায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া লখিমপুর খেরিতে মারা গেছেন চারজন।

    অতিবৃষ্টির কারণে উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় কৃষিকাজও ব্যাহত হয়েছে। কৃষকেরা জানিয়েছেন, মাঠে থাকা ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। একই সঙ্গে রবিশস্যের বীজ বপনও পিছিয়ে গেছে।

    ওড়িশাতেও টানা বৃষ্টি ও ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় দুর্যোগের কারণে রাজ্যটিতে ৭৩ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে কয়েক হাজার হেক্টর ফসলি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

    নেপাল ও সংলগ্ন অববাহিকা এলাকায় টানা বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে বিহারেও। অতিবৃষ্টির কারণে বাল্মীকিনগর জলাধার থেকে ক্রমাগত পানি ছাড়তে হচ্ছে। এতে গণ্ডক নদীর পানি বাড়ছে। কোথাও কোথাও নদীর পানি উপচে গ্রামে ঢুকে পড়েছে এবং বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে। জলাধার থেকে পানি ছাড়ার পাশাপাশি অব্যাহত বৃষ্টিও নদীর পানি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

    এদিকে প্রবল বর্ষণে ছত্তীশগড়ের বিভিন্ন এলাকাতেও জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, অতিবৃষ্টির কারণে রাজ্যের আটটি জেলায় স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে।

    শুক্রবার কোণ্ডাগাঁও জেলায় জলমগ্ন ধানখেতে মাছ ধরতে গিয়ে নালায় পড়ে যান ৪০ বছর বয়সী এক যুবক। পরে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন