শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • আন্দোলনের মুখেও ধর্মেন্দ্র প্রধানকে কেন সরাচ্ছেন না মোদি? চিকিৎসার অভাবে যেন আর কোনো গ্রামবাসীর মৃত্যু না হয়: জুবাইদা রহমান ১৭ বছর পর লর্ডসে বাংলাদেশের টেস্ট, ২০২৭ সালে ইংল্যান্ড সফরে টাইগাররা বিদেশি শিক্ষার্থী টানতে জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের তাগিদ শিক্ষামন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানালেন মোদি সাংবাদিকের পরিচয় নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী দ্বিতীয় প্রান্তিকেও লোকসান বেড়েছে প্রিমিয়ার ব্যাংকের শুক্রবারই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পুলিশের ১৭ শীর্ষ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে কোরআন তিলাওয়াতে মাধুর্য আনতে যা করবেন
  • চিকিৎসার অভাবে যেন আর কোনো গ্রামবাসীর মৃত্যু না হয়: জুবাইদা রহমান

    চিকিৎসার অভাবে যেন আর কোনো গ্রামবাসীর মৃত্যু না হয়: জুবাইদা রহমান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    গ্রামাঞ্চলে চিকিৎসার অভাবে যেন আর কোনো মানুষের মৃত্যু না হয়, এমন একটি মানবিক ও উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।

    তিনি বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশে কোনো রোগী যেন চিকিৎসার অভাবে প্রাণ না হারায়, কোনো অন্তঃসত্ত্বা মা বা নবজাতককে যেন প্রতিরোধযোগ্য কারণে হারাতে না হয়। এ জন্য বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে—এমন একটি চিকিৎসাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকার হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল ও কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শিক্ষাক্ষেত্রে কৃতিত্বের সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডা. জুবাইদা রহমান।

    গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার সংকট তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসকের অভাবে অনেক মানুষ সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পান না। তবে সেবার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে গেলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতি এক হাজার মানুষের বিপরীতে চিকিৎসকের সংখ্যা শূন্য দশমিক ৮৩। অর্থাৎ একজন চিকিৎসককে প্রায় এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৮০০ মানুষের সেবা দিতে হয়। গ্রামাঞ্চলে এ সংকট আরও বেশি।

    ডা. জুবাইদা রহমান জানান, দেশে প্রতি এক হাজার মানুষের বিপরীতে নার্সের সংখ্যা শূন্য দশমিক ৫৪৯। অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী চিকিৎসকের ক্ষেত্রে এই হার ২ দশমিক ২৮ এবং নার্সের ক্ষেত্রে ১ দশমিক ৪৮ হওয়া প্রয়োজন। সরকারি চিকিৎসকের অনুপাতও প্রায় ৬ হাজার ৫০০ মানুষের বিপরীতে একজন।

    স্বাস্থ্য খাতের এই সংকট মোকাবিলায় তরুণ চিকিৎসকদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে। মেধা, শ্রম, অধ্যবসায় ও দেশপ্রেম দিয়ে আপনারাই মানুষের প্রত্যাশার চিকিৎসাব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবেন।’

    মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, চিকিৎসকরা দেশের অন্যতম মেধাবী মানুষ। চিকিৎসাবিজ্ঞানে সাফল্যের পাশাপাশি অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাই একজন চিকিৎসককে পূর্ণতা দেয়।

    তিনি আরও বলেন, মানুষের সেবা করে তাকে সুস্থ করে তোলার মধ্যেই একজন চিকিৎসকের প্রকৃত আত্মতৃপ্তি, জীবনের সার্থকতা ও সফলতা নিহিত।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন