নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং বা কারচুপির অভিযোগ নাকচ করে দিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক চর্চা শক্তিশালী হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে এই মূল্যায়ন তুলে ধরেন ইইউ নির্বাচন মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস।
তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় পর বাংলাদেশে এমন একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখবে। নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমও এ ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল সন্তোষজনক এবং ভোটগ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশ প্রক্রিয়ায় কোনো বড় ধরনের অস্বচ্ছতা পরিলক্ষিত হয়নি। প্রাথমিক ফলাফল থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত প্রক্রিয়াটি ছিল তুলনামূলকভাবে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য।
ইইউ প্রতিনিধি দল আরও জানায়, প্রার্থীরা স্বাধীনভাবে প্রচারণা চালানোর সুযোগ পেয়েছেন এবং রাজনৈতিক মতবিরোধ বা সংকট মোকাবিলায় সংলাপের পরিবেশ ছিল। নির্বাচনের সময় উদ্ভূত বিভিন্ন অভিযোগ দ্রুততার সঙ্গে নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে আর্থিক স্বচ্ছতার বিষয়টি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ইইউ। নির্বাচন ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্বাচনগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে আরও উন্নত করতে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ খাতে মোট ১৯টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে ইইউর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে।