বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের জট কাটার আশা নৌমন্ত্রীর

২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের জট কাটার আশা নৌমন্ত্রীর
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার জট ও অপারেশনাল সীমাবদ্ধতা দূর করতে সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরিকল্পিত সব কনটেইনার টার্মিনাল চালু হলে ২০৩০ সালের মধ্যে বন্দরের সামগ্রিক জট পুরোপুরি নিরসন সম্ভব হবে।

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ।

নৌমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম কমাতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পতেঙ্গা, লালদিয়া এবং বে টার্মিনালের কার্যক্রম পূর্ণমাত্রায় চালু হলে বন্দর পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।

তিনি জানান, সিঙ্গাপুর ও কলম্বোর মতো ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমের পার্থক্য রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর মূলত দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যনির্ভর হওয়ায় এখানে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়, যা সময় বাড়িয়ে দেয়।

তবে আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন ও ব্যবস্থাপনায় উন্নয়নের ফলে বন্দরের কার্যক্ষমতা ইতোমধ্যে বেড়েছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তার ভাষ্য, ২০২৪ সালের জুনে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল চালু হওয়ার পর জাহাজের অপেক্ষার সময় প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে।

বর্তমানে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে গড়ে ২ দশমিক ১ দিন সময় লাগলেও নতুন টার্মিনালগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে ২০২৯ সালের মধ্যে তা অর্ধদিনে নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, লালদিয়া টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি বে টার্মিনাল-২ ও বে টার্মিনাল-৩ বাস্তবায়নে দেশি-বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। এসব প্রকল্প সম্পন্ন হলে চট্টগ্রাম বন্দর আন্তর্জাতিক মানের দ্রুত ও দক্ষ সেবা দিতে সক্ষম হবে।

অধিবেশনে আরও জানানো হয়, চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন বে টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে দুবাইভিত্তিক ডিপি ওয়ার্ল্ড এবং সিঙ্গাপুরের পিএসএর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

অন্যদিকে একই অধিবেশনে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, দেশের ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্য ‘গম্ভীরা’কে ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার ভবিষ্যতে নমিনেশন ফাইল প্রস্তুতের পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে গম্ভীরাকে জাতীয় বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ