বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

হজ কার্যক্রমে আরও ৩৮ এজেন্সিকে অনুমতি দিল সরকার

হজ কার্যক্রমে আরও ৩৮ এজেন্সিকে অনুমতি দিল সরকার
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আগামী ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য নতুন করে ৩৮টি হজ এজেন্সিকে অনুমতি দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ষষ্ঠ পর্যায়ে শর্তসাপেক্ষে প্রাথমিকভাবে যোগ্য হজ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে পাঁচ ধাপে ৬৪২টি এজেন্সিকে হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। নতুন ৩৮টি যুক্ত হওয়ায় অনুমোদিত এজেন্সির সংখ্যা আরও বাড়ল।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের শর্ত অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত কোনো এজেন্সি যৌক্তিক কারণ ছাড়া ২০২৭ হজ মৌসুমে হজযাত্রী নিবন্ধন না করলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিবন্ধনের আগে যোগ্য এজেন্সিগুলোকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রুপ বা অ্যালায়েন্স গঠন করতে হবে।

সৌদি সরকারের নির্ধারিত ন্যূনতম হজযাত্রী কোটা কোনো এজেন্সি এককভাবে কিংবা সমন্বয়ের মাধ্যমে পূরণ করতে পারলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি বা লিড এজেন্সি সৌদি আরবে হজযাত্রী পাঠাতে পারবে।

এজেন্সিগুলোকে ই-হজ সিস্টেমে প্যাকেজ নির্ধারণ করে হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। ওই প্যাকেজই হজযাত্রী ও এজেন্সির মধ্যে চুক্তিপত্র হিসেবে গণ্য হবে। প্যাকেজে সৌদি আরবে প্রদেয় সেবা, অবস্থানের সময়কাল, হোটেলের দূরত্ব ও মোট খরচ উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।

প্রতিটি এজেন্সিকে কমপক্ষে ৪৪ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করতে হবে। এই সংখ্যক হজযাত্রী হলে এজেন্সি সমন্বয় প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবে। নির্ধারিত সংখ্যা পূরণ করতে না পারলে লিড এজেন্সির আওতাধীন অন্য এজেন্সির মাধ্যমে হজযাত্রী স্থানান্তর করে তাদের হজ পালনের ব্যবস্থা করতে হবে।

এ ছাড়া প্রতি ৪৪ জন হজযাত্রীর জন্য একজন করে দক্ষ হজ গাইড নিয়োগ দিতে হবে। গাইডকে আরবি ভাষায় দক্ষ, তথ্যপ্রযুক্তিতে জ্ঞানসম্পন্ন এবং হজ পরিচালনায় অভিজ্ঞ হতে হবে। ই-হজ সিস্টেমে গাইড যুক্ত করার সময় তার পাসপোর্ট ও হজ পরিচালনার অভিজ্ঞতার তথ্য দিতে হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনিবন্ধিত কোনো ব্যক্তিকে হজযাত্রী হিসেবে সৌদি আরবে নেওয়া যাবে না। কোনো এজেন্সি এমন উদ্যোগ নিলে কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরবর্তীতে কোনো এজেন্সি হালনাগাদ তথ্যসহ আবেদন করলে তা যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী যোগ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। তালিকা প্রকাশের পর কোনো এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে শাস্তি হলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির নামও তালিকা থেকে বাতিল করা হবে।

২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়নের শর্তে এজেন্সিগুলোকে যোগ্য তালিকায় রাখা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স আগামী বছরের জুনের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হবে, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়নের আবেদন করতে হবে।

এ ছাড়া প্রতিটি এজেন্সিকে হালনাগাদ হজ লাইসেন্স, ট্রাভেল লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স ও আয়কর সনদ জমা দিয়ে ঢাকা হজ অফিসের পরিচালকের সঙ্গে চুক্তি করতে হবে।

যোগ্য তালিকায় থাকা এজেন্সি ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। পরবর্তী সময়ে কোনো এজেন্সি যোগ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলে তাদের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হবে।
অনুমোদিত হজ এজেন্সির তালিকা: এখানে ক্লিক করুন


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন