বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

ভোটের দায়িত্বে আহত বা নিহত হলে মিলবে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা

ভোটের দায়িত্বে আহত বা নিহত হলে মিলবে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা
ছবি: সংগৃহীত
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে কোনো কর্মকর্তা, কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দুর্ঘটনা, হামলা বা আকস্মিক অসুস্থতার শিকার হলে তাদের বা তাদের পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নীতিমালার আওতায় সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত এককালীন অনুদান দেওয়া হবে।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দিন থেকে “অসুস্থ/গুরুতর অসুস্থ/আহত/গুরুতর আহত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মৃত ব্যক্তির পরিবারকে আর্থিক সহায়তা/অনুদান প্রদান নীতিমালা-২০২৬” কার্যকর হবে।

নতুন নীতিমালার আওতায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এবং ভোটার তালিকা প্রণয়ন কার্যক্রমে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সুবিধা পাবেন।

নীতিমালা অনুযায়ী, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে দুর্বৃত্তদের হামলা বা দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তি নিহত হলে তার পরিবারকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হবে। একই কারণে গুরুতর আহত বা স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে ৪ লাখ টাকা, সাময়িক অক্ষমতা বা গুরুতর আঘাতে ২ লাখ টাকা এবং সাধারণ আহতের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করা হবে।

অন্যদিকে, দায়িত্ব পালনকালে আকস্মিক অসুস্থতা বা মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা অনুদান পাবে। গুরুতর অসুস্থতা বা স্থায়ী অক্ষমতার জন্য ৩ লাখ টাকা, ব্যয়বহুল চিকিৎসার ক্ষেত্রে ৩ লাখ টাকা, সাধারণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ২ লাখ টাকা এবং সাময়িক অসুস্থতার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

ইসি জানিয়েছে, অনুদান প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারি পেনশন নীতিমালার আলোকে উত্তরাধিকার নির্ধারণ করা হবে। প্রয়োজনে স্বামী-স্ত্রী, সন্তান, বাবা-মা বা বৈধ উত্তরাধিকারীরা নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করতে পারবেন।

আর্থিক সহায়তা পেতে দুর্ঘটনা বা অসুস্থতার ঘটনার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদন যাচাইয়ের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা আবেদন মূল্যায়ন করে সুপারিশ দেবে।

চূড়ান্ত অনুমোদনের পর অনুদানের অর্থ সরাসরি সুবিধাভোগীর ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রতি অর্থবছরে তাদের নিজস্ব বাজেট থেকেই এ কল্যাণমূলক অনুদানের অর্থ সংস্থান করা হবে।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ