জামায়াত নেতা মাওলানা মোস্তফা কামালের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভোলা জেলা শাখার সাবেক আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল-এর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার সকালে ভোলার চরফ্যাশন ও শশীভূষণ এলাকায় দুই দফা জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় চরফ্যাশন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সকাল সাড়ে ৯টায় শশীভূষণ থানার পশ্চিম এওয়াজপুর গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে দাফন কার্য সম্পন্ন হয়।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন কিডনি রোগ ও ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার দুপুরে ৫৯ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, দুই কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও স্বজন রেখে গেছেন।
ভোলা জেলায় জামায়াতে ইসলামীর একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। বরিশাল অঞ্চলের টিম সদস্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মরহুমের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, মাওলানা মোস্তফা কামাল ইসলামী আন্দোলন ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পৃথক বার্তায় শোক প্রকাশ করেন।
এছাড়া জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হক নাঈম, জেলা জামায়াতের আমির মাস্টার জাকির হোসেন, সেক্রেটারি মাওলানা হারুন অর রশিদ,উপজেলা আমির মীর শরীফ হোসাইন, কোস্টাল ফর রাইট পিপল (আরসিপি) এর চেয়ারম্যান রেদওয়ানুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
চরফ্যাশন ও মনপুরা এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দল-মত নির্বিশেষে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভোলার এই প্রবীণ নেতার অভাব সহজে পূরণ হওয়ার নয়।