মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ফখরুলকে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন, সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ হাসিনাকে ঘিরে বরফ, সম্পর্ক স্বাভাবিকের চেষ্টা দেশজুড়ে সার বিতরণ তদারকিতে ৩ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ গণমাধ্যম, শেখ হাসিনা প্রত্যর্পণ ও সংস্কৃতি নিয়ে সরকারের অবস্থান জানালেন তথ্যমন্ত্রী ঢাকার পানি ব্যবস্থার উন্নয়নে বড় সহায়তা দিচ্ছে ডেনমার্ক সংসদ অধিবেশন নির্বিঘ্ন রাখতে সংসদ ভবন এলাকায় ডিএমপির নিষেধাজ্ঞা ৬ অক্টোবর ঢাকায় ব্রাজিল-বাংলাদেশ ম্যাচ? বাণিজ্যযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে কতটা চাপে ফেলতে পারে কানাডা? জনসম্পৃক্ততায় লংমার্চ সফল করার প্রত্যয় গোলাম পরওয়ারের
  • বিরোধী দলের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার স্পিকারের

    বিরোধী দলের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার স্পিকারের
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    জাতীয় সংসদ পরিচালনায় পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সংসদের অভিভাবক হিসেবে তার কাছে সরকারি দল ও বিরোধী দল আলাদা কিছু নয়। তিনি কার্যক্রমে ইনসাফ কায়েম এবং বিরোধী দলের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর অধিবেশনে দেওয়া প্রথম ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি নিজের নিরপেক্ষতা প্রমাণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি এর স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেন।

    তিনি বলেন, ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থের চেয়ে জাতীয় স্বার্থই হবে এই সংসদের মূল চালিকাশক্তি। তিনি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে সংসদকে দেশের সকল রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন। ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থের চেয়ে জাতীয় স্বার্থকে বড় করে দেখতে হবে এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই মূলমন্ত্র নিয়ে সংসদ সদস্যদের কাজ করতে হবে বলে জানান তিনি। 

    নবনির্বাচিত স্পিকার তার বক্তব্যে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের চড়াই-উতরাইয়ের ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্বৈরশাসকের আগমন ঘটলেও বাংলাদেশের লড়াকু জনগণ বারবার গণতন্ত্রের পতাকাকে সমুন্নত রেখেছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি স্বৈরাচারী সরকারকে বিদায় করা হয়েছে।’ তিনি আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওয়াসিমসহ সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।

    নিজের ১০টি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে স্পিকার বলেন, গত ১২ মার্চের নির্বাচনটি আমার অভিজ্ঞতায় সবচাইতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। এখন জনগণ অধীর আগ্রহে এই নতুন সংসদের কার্যক্রম দেখার অপেক্ষায় আছে। নির্বাচনী ওয়াদা পালন করা প্রতিটি সংসদ সদস্যের প্রাথমিক দায়িত্ব।

    সংসদ পরিচালনায় বিরোধী দলের গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বিরোধী দল যাতে এই সংসদে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে, সে বিষয়ে আমি সর্বদা সচেষ্ট থাকব। আমি ইতিমিধ্যেই নিরপেক্ষতার খাতিরে দলীয় পদ ত্যাগ করেছি। এখন থেকে আমার কাছে সরকারি দল বা বিরোধী দল বলে আলাদা কিছু থাকবে না; আমি সবার সহযোগিতা কামনা করি।

    স্পিকার বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার। এই লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের দায়িত্ব বর্তমান সংসদের প্রতিটি সদস্যের ওপর ন্যস্ত। তিনি জাতীয় স্বার্থে সরকারি ও বিরোধী উভয় পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনতার স্বপ্ন পূরণে কাজ করার আহ্বান জানান।

    বক্তব্য শেষে তিনি ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়ে সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন