মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় মঙ্গলবার ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯৯৪ রোগী ভর্তি, মৃত্যু আরও ৩ ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ও মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর লক্ষ্য: শেখ রবিউল আলম রাজধানীতে ট্রাফিক আইন ভাঙায় ২১৪৪ মামলা, ডাম্পিং ৫০৬ গাড়ি ভূমি রক্ষা ছাড়া জলবায়ু সহনশীলতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়: পরিবেশমন্ত্রী পদাতিক ইউনিটগুলোকে দেশসেবায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজের আহ্বান সেনাপ্রধানের জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথেই বিএনপি, আস্থা রাখার আহ্বান আইনমন্ত্রীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগামী ১২ সেপ্টেম্বর নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হবে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী, উপবৃত্তি পুনরায় চালুর ভাবনা সুন্দরবনের জলবায়ু প্রকল্পে ব্রিটিশ অর্থছাঁটাই, দুই বছর আগেই বন্ধ হচ্ছে কার্যক্রম
  • জাতীয় শহীদ সেনা দিবস আজ

    জাতীয় শহীদ সেনা দিবস আজ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আজ পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা এবং মোট ৭৪ জন নিহত হন, যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম শোকাবহ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।

    গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গতবছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ এ দিনটি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।  

    ২০০৯ সালে পিলখানায় সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করে লাশ গুম এবং পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়। তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপরও নির্যাতন চালানো হয়। দেশের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা ওই নৃশংস ঘটনাকে দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর প্রথম বড় ধরনের আঘাত হিসেবেই মূল্যায়ন করে থাকেন। 

    এ ভয়াবহ ঘটনায় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শপথ গ্রহণকারী দেশের সুরক্ষা কবচ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হারায় তার মেধাবী ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাদের, যা সমগ্র সশস্ত্র বাহিনীর মনোবলে বিরূপ প্রভাব ফেলে। এ দিনটি শুধু বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য নয়, পুরো জাতির জন্যই শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক।  

    দিবসটি উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিল। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।’

    ‘পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল, নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।’

    ‘সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।’


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন