বিনা খরচে প্রবাসীদের মরদেহ দেশে আনা হবে

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স-যোদ্ধাদের অবদান অনস্বীকার্য। তাদের পাঠানো অর্থেই রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত সচল থাকে এবং মন্ত্রণালয় পরিচালিত হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে নতুন যুক্ত হওয়া দুটি ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান হয়।
তিনি বলেন, “রেমিট্যান্স-যোদ্ধাদের টাকায় আমরা মন্ত্রণালয়ে বসে থাকি। তাই তাদের অধিকার, নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
মন্ত্রী আরও জানান, বিদেশে কর্মরত প্রবাসীদের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সহায়তা ও সেবা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করবে। বিশেষ করে, কোনো প্রবাসী কর্মীর মৃত্যু হলে তার মরদেহ বিনা খরচে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রবাসীদের সেবা প্রদানে আরও মানবিক ও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
সরকারের এ উদ্যোগকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের প্রবাসীরা যখন বিদেশে থাকেন তখন তারা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রত্যেকেই বাংলাদেশের একেকটি পতাকা হয়ে কাজ করেন। বিষয়টির স্বীকৃতি প্রয়োজন। প্রবাসীরা ফেরত আসার পর দেশে যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখেন, সেগুলোও হিসাবের মধ্যে থাকা বাঞ্ছনীয়। এ ক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সার্বিক কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা নতুন দায়িত্বে এসেছি, এখনো সবকিছু জানি না। তবে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য দেওয়া আমাদের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যাহ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মো. গোলাম সারোয়ার ভূঁইয়া, উপসচিব ইমরান আহমদ, সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।