ফ্যামিলি কার্ডের আনুষ্ঠানিক যাত্রা: ১০ মার্চ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী ১০ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের নতুন এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর জন্য সহায়তা কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকর করা।
(২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এক বার্তায় প্রেস উইং জানায়, প্রাথমিকভাবে ১৩টি জেলায় একটি করে ওয়ার্ডে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত উপকারভোগীরা স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ এবং বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা পাবেন। এই কার্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে সহায়তা বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ডিজিটাল ডাটাবেইসের মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগীদের চিহ্নিত করে এই কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে। ফলে ভর্তুকি ও সহায়তা সঠিক ব্যক্তির কাছে পৌঁছানো সহজ হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন রমজান ও দ্রব্যমূল্যের চাপে নিম্নআয়ের মানুষের স্বস্তি দিতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিএনপির অন্যতম নির্বাচনি ওয়াদা ছিল ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। সরকার গঠনের পরপরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কর্মসূচি শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
ঈদের আগেই হতদরিদ্রদের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দিতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে সরকার। এ-সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদানসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করেছে। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। তার নেতৃত্বে এই কমিটিতে ১৪ জন সদস্য রয়েছেন।
কমিটির সদস্যরা হলেন— সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহদী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, অর্থ সচিব, তথ্য সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, পরিকল্পনা সচিব ও সমাজকল্যাণ সচিব।