মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় মঙ্গলবার ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯৯৪ রোগী ভর্তি, মৃত্যু আরও ৩ ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ও মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর লক্ষ্য: শেখ রবিউল আলম রাজধানীতে ট্রাফিক আইন ভাঙায় ২১৪৪ মামলা, ডাম্পিং ৫০৬ গাড়ি ভূমি রক্ষা ছাড়া জলবায়ু সহনশীলতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়: পরিবেশমন্ত্রী পদাতিক ইউনিটগুলোকে দেশসেবায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজের আহ্বান সেনাপ্রধানের জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথেই বিএনপি, আস্থা রাখার আহ্বান আইনমন্ত্রীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগামী ১২ সেপ্টেম্বর নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হবে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী, উপবৃত্তি পুনরায় চালুর ভাবনা সুন্দরবনের জলবায়ু প্রকল্পে ব্রিটিশ অর্থছাঁটাই, দুই বছর আগেই বন্ধ হচ্ছে কার্যক্রম
  • ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারকে আল্টিমেটাম, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

    ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারকে আল্টিমেটাম, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারকে সময় বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারি দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটি জানিয়েছে, আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ২৮ মার্চ সংবাদ সম্মেলন করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৫ সালে ঘোষিত ৮ম পে-স্কেলে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে। ওই সময় থেকেই পে-স্কেলের বৈষম্য নিরসনের দাবিতে আবেদন-নিবেদন ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হলেও তৎকালীন সরকারের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এমনকি বিগত কোনো সরকারই সংগঠনটির সঙ্গে আলোচনায় বসেনি বলেও দাবি করা হয়। তবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের আমলে ১৯৯১ ও ২০০৫ সালে দুটি পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

    সংগঠনটির দাবি, গত ১১ বছর ধরে নতুন পে-স্কেল না হওয়ায় সরকারি কর্মচারীরা বঞ্চিত রয়েছেন। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, ফলে ছয় সদস্যের পরিবারের ব্যয়ভার বহন করা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০১৯ সাল থেকে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছেও দাবি জানানো হয়। এরই প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালে একটি পে-কমিশন গঠন করা হয় এবং কমিশন তাদের প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেয়। তবে আশ্বাস দেওয়া হলেও পে-স্কেল বাস্তবায়নে এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়।

    বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন পে-স্কেল না হওয়া এবং বর্তমান মূল্যস্ফীতির বাস্তবতা বিবেচনায় দ্রুততম সময়ে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

    সংগঠনের ২০ ফেব্রুয়ারির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিম্নোক্ত কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে-

    ১. ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবেন।

    ২. একই সময়ে কেন্দ্রীয় নেতারা মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেবেন।

    ৩. পবিত্র রমজান মাসজুড়ে বিভাগীয় শহরগুলোতে প্রতিনিধি সমাবেশ ও সাংগঠনিক কর্মসূচি পালন।

    ২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান ও বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে সরকার ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নে দৃশ্যমান উদ্যোগ না নিলে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর ২৮ মার্চ সংবাদ সম্মেলন করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন