নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ মন্ত্রী, ২৪ প্রতিমন্ত্রী

প্রায় ৪৯ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। মঙ্গলবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইতোমধ্যেই শপথগ্রহণের জন্য নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের ফোনের মাধ্যমে আমন্ত্রণ পাঠানো শুরু করেছে।
বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রিসভার মধ্যে দু’জন মন্ত্রী টেকনোক্র্যাট কোটায় স্থান পাবেন, এছাড়া প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে একজন টেকনোক্র্যাট থাকবেন। এই নতুন মন্ত্রিসভা সরকারের কার্যক্রম শুরু করার মূল কাঠামো তৈরি করবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীদের মধ্যে আছেন- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম। টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও খলিলুর রহমান।
অপরদিকে প্রতিমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন- এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, রাজিব আহসান, আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
বিএনপির সংসদীয় সভায় তারেক রহমানকে নেতা হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। তিনি হচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। সব মিলিয়ে মন্ত্রিসভা হতে যাচ্ছে ৫০ জনের। রীতি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর অধীনে সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বিভাগ থাকে। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টনের বিষয়ে এখনও সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিকেলে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দায়িত্ব ছাড়বেন। এরপর কে রাষ্ট্রপতি হবেন তা নিয়ে দেশের নানা মহলে আলোচনা আছে। তবে নির্বাচিত দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি।