পর্যটক ও সাধারণ দর্শকদের জন্য বন্ধ জাতীয় স্মৃতিসৌধ

জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতীয় স্মৃতিসৌধ সর্বসাধারণের প্রবেশ হঠাৎ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দর্শনার্থীরা সংবাদ ও প্রশাসনিক সূত্র থেকে জানাচ্ছেন, কোনও পূর্বঘোষণা ছাড়াই এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন খান আনু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিষেধাজ্ঞার সময়কাল ও কারণ সম্পর্কে এখনো সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীঘ্রই বিস্তারিত জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে স্মৃতিসৌধ পরিদর্শনের পরিকল্পনা করা দর্শনার্থীদের কার্যক্রম প্রভাবিত হচ্ছে এবং পর্যটন কার্যক্রমও সাময়িকভাবে স্থগিত হয়েছে।
তিনি জানান, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ রাজধানীর সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসবেন। এ উপলক্ষে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে সৌন্দর্য বর্ধনসহ বিভিন্ন প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আর এজন্য গতকাল রোববার থেকে সর্বসাধারণের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
জানা যায়, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। এছাড়া জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।
নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ শ্রদ্ধা জানানোর পরেই সর্বসাধারণের জন্য আবার স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন খান আনু।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয় নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় নতুন মন্ত্রীসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এর আগে, একই দিনে সকালে শপথ গ্রহণ করবেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যরা। তাদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন।
নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে তারাই হবেন দেশের নতুন সরকার। শপথগ্রহণ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার বহাল থাকবে। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।