মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় মঙ্গলবার ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯৯৪ রোগী ভর্তি, মৃত্যু আরও ৩ ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ও মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর লক্ষ্য: শেখ রবিউল আলম রাজধানীতে ট্রাফিক আইন ভাঙায় ২১৪৪ মামলা, ডাম্পিং ৫০৬ গাড়ি ভূমি রক্ষা ছাড়া জলবায়ু সহনশীলতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়: পরিবেশমন্ত্রী পদাতিক ইউনিটগুলোকে দেশসেবায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজের আহ্বান সেনাপ্রধানের জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথেই বিএনপি, আস্থা রাখার আহ্বান আইনমন্ত্রীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগামী ১২ সেপ্টেম্বর নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হবে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী, উপবৃত্তি পুনরায় চালুর ভাবনা সুন্দরবনের জলবায়ু প্রকল্পে ব্রিটিশ অর্থছাঁটাই, দুই বছর আগেই বন্ধ হচ্ছে কার্যক্রম
  • রাজনৈতিক সহিংসতা এবং সরকারের প্রতিক্রিয়া: ৩৬ দিনে ১৫ নেতাকর্মী নিহত

    রাজনৈতিক সহিংসতা এবং সরকারের প্রতিক্রিয়া: ৩৬ দিনে ১৫ নেতাকর্মী নিহত
    ছবি- সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের হত্যার সংখ্যা নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর প্রতিবেদনের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাখ্যা দিয়েছে।

    রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্য ও ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।

    সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চলমান নির্বাচন ও ভোট সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। টিআইবি রিপোর্টে যে তথ্য উঠে এসেছে, তা সরকারের নজরে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশি তদন্ত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।

    অন্তর্বর্তী সরকার আরও জানিয়েছে, কোনো ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতা প্রশ্রয় পাবে না। ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু করার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আইন শৃঙ্খলা ও নজরদারি আরও কড়া করা হয়েছে। সরকার দাবি করেছে, রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা হলে তা দ্রুত তদন্ত ও শাস্তির আওতায় আনা হবে।

    এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে সরকার আশা করছে, নির্বাচন-সংক্রান্ত ভীতি ও বিভ্রান্তি কমানো সম্ভব হবে এবং ভোটাররা নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে পারবেন।


    ব্যাখায় বলা হয়, টিআইবি তাদের প্রতিবেদনে দাবি করেছে, নির্বাচনসূচি ঘোষণা হওয়ার ৩৬ দিনের মধ্যে ১৫ জন রাজনৈতিক নেতা ও কর্মী নিহত হয়েছেন। তবে, এই সংখ্যাটি সত্যতা যাচাই ছাড়াই দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।


    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়কালে মাত্র পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি রাজনৈতিক প্রোফাইল বা কর্মকাণ্ডের সম্পর্ক আছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল ওসমান হাদির নির্মম হত্যাকাণ্ড, যাকে মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

    সরকারের বক্তব্যে বলা হয়, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই নিন্দনীয়। ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড ছিল বিশেষভাবে নির্মম, যেন একটি তরুণ রাজনৈতিক নেতাকে চুপ করানো এবং সংবেদনশীল রাজনৈতিক মুহূর্তে ভয় সৃষ্টি করা যায়। তবে, সে উদ্দেশ্য সফল হয়নি। দেশের পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হিংসার দিকে গড়ায়নি এবং নির্বাচনি প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়নি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন