নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন দ্রুত করার জন্য শিক্ষাজোটের দাবি

নবম পে-স্কেল প্রজ্ঞাপন না জারি হলে সারাদেশে কর্মসূচি হুঁশিয়ারি দিয়েছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে পারে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি, যদি ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হয়।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়েছে। জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকার যদি দাবি মানা না করে, তাহলে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। এরপরও কোনো সাড়া না মিললে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
জোটের সদস্যসচিব দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি কর্মচারীদের বেতন সমন্বয়ের জন্য ২৭ জুলাই জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ গঠন করেছে। কমিশনের দায়িত্ব ছিল বিদ্যমান বেতন-ভাতা ও সুবিধা পর্যালোচনা করে সময়োপযোগী বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা।
আজিজী আরও বলেন, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে পে-স্কেল প্রজ্ঞাপন জারিতে বিভিন্ন প্রকার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এমনকি যাদের মতামত থাকা উচিত নয়, তারাও নেতিবাচক মন্তব্য করছে। বিশেষভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতিবাচক মন্তব্য জনরোষ সৃষ্টি করেছে, যা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন:
বাংলাদেশ মাধ্যমিক কারিগরি শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. মতিউর রহমান
বাংলাদেশ এমপিওভুক্ত শিক্ষক পরিষদের আহ্বায়ক মো. নুরুল আমিন হেলালী
বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান
বাংলাদেশ শিক্ষক ফোরামের সভাপতি মো. হাবিবুল্লাহ রাজু প্রমুখ।
জোটের এই পদক্ষেপ দেশের শিক্ষাঙ্গনে নির্দিষ্ট ও সময়োপযোগী বেতন কাঠামো নিশ্চিত করার প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।