শেয়ারবাজারে ঢালাও দরপতন, লেনদেন কমেছে

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দেশের পুঁজিবাজারে দরপতনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলো। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-এর অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমার কারণে মূল সূচকও হ্রাস পেয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় কমেছে।
ডিএসইতে দিনের শুরুতে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়ে সূচক সামান্য বৃদ্ধি পায়। তবে কয়েক মিনিটের মধ্যে দরপতনের ধারা শুরু হয়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ২৬ পয়েন্ট কমে যায়। দিনের শেষ পর্যায়ে কিছু প্রতিষ্ঠানের দরপতনের তালিকা থেকে বের হয়ে সূচকের পতনের মাত্রা কিছুটা কমে আসে।
দিনশেষে ডিএসইতে ১৪২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, ১৫৫টির দাম কমেছে এবং ৯৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো কোম্পানি বা ১০% বা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮১টির দাম বেড়েছে এবং ৯১টির দাম কমেছে। ‘জেড’ গ্রুপে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৬টির দাম বেড়েছে, ৩৭টির দাম কমেছে। মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১০টির দাম বেড়েছে, ১০টির কমেছে এবং ১৪টির অপরিবর্তিত।
ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৭ পয়েন্ট কমে ৪,৮৬১ পয়েন্টে, ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ৯৯৯ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৯ পয়েন্ট কমে ১,৮৫৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
লেনদেনের পরিমাণও হ্রাস পেয়ে ৩০৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় সীমাবদ্ধ হয়েছে। আগের কার্যদিবসে এটি ছিল ৩৮৫ কোটি ৮ লাখ টাকা। সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে সিটি ব্যাংক (১১ কোটি ৬ লাখ টাকা), সোনালি পেপার (১০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা) এবং আলহাজ্ব টেক্সটাইল (৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকা)-এর শেয়ারে।
সিএসইতেও পরিস্থিতি একই রকম। সিএএসপিআই সূচক ৩৫ পয়েন্ট কমে ১১ কোটি ৯৯ লাখ টাকার লেনদেনের মধ্য দিয়ে দিন শেষ করেছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৪৭ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৫টির দাম বেড়েছে, ৭৩টির দাম কমেছে এবং ২৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।