আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদসহ দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে রাজধানীর নিকুঞ্জ-১ এলাকায় সাজসজ্জা ও সৌন্দর্যবর্ধনের নামে রাষ্ট্রের প্রায় ২৪ কোটি টাকা ক্ষতিসাধন এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান শুরু করেছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৭ ডিসেম্বর, ২০২৫) কমিশন এই অভিযোগটি আমলে নেয় এবং অনুসন্ধানের জন্য একজন পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তার নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন আবদুল হামিদ তার বাসভবন ও নিকুঞ্জ-১ এলাকার আশপাশে সৌন্দর্যবর্ধন ও বিভিন্ন কেনাকাটার নামে সরকারি তহবিল থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন, যা রাষ্ট্রীয় কোষাগারের জন্য বড় ক্ষতি।
দুদকের তদন্ত দল ইতোমধ্যে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে নথিপত্র সংগ্রহ শুরু করেছে।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুদক মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, কমিশন কখনো ব্যক্তির পরিচয় দেখে অনুসন্ধান করে না। মূল বিষয় হলো অভিযোগের বস্তুনিষ্ঠতা। রাজধানীর অভিজাত নিকুঞ্জ এলাকার লেকড্রাইভ রোডের ৬ নম্বর প্লটে ৩ তলা বিশিষ্ট ডুপ্লেক্স বাড়ি রয়েছে হামিদের। রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব শেষে তিনি ২০২৩ সালের এপ্রিলে সপরিবারে ওই বাড়িতে ওঠেন।
অভিযোগ উঠেছে, বাড়ির দুপাশের রাস্তায় হাঁটার জন্য বাঁধা, নান্দনিক ডেক ও ঝুলন্ত ব্রিজ, খালসংলগ্ন অত্যাধুনিক ল্যাম্পপোস্ট নির্মাণের মাধ্যমে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।