আগারগাঁওয়ে মোবাইল ব্যবসায়ীদের অবরোধে বিপর্যস্ত ট্রাফিক

রাজধানীর আগারগাঁও মেট্রো স্টেশনের নিচের সড়ক অবরোধ করেছেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা। এতে ওই সড়ক দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।
আজ রোববার (৭ ডিসেম্বর, ২০২৫) বেলা সাড়ে ১১টার পর 'মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ' (এমবিসিবি)-এর ব্যানারে ব্যবসায়ীরা সড়কটিতে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন।
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) সিস্টেম সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে তারা এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন। আকস্মিক সড়ক অবরোধের ফলে আগারগাঁও এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।
বাংলাদেশ মোবাইল বিজনেস কমিউনিটির (এমবিসিবি) সিনিয়র সহ-সভাপতি শামীম মোল্লা গণমাধ্যমকে বলেছেন, বিটিআরসি ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের আহ্বানে বিটিআরসি ভবনে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসছেন। তবে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা না হলে আলোচনায় সমাধান হবে না।
এর আগে রোববার সকাল থেকে আমদানি শুল্ক কমানোসহ ৬ দফা দাবিতে বিটিআরসি ভবনের সামনে অবস্থান নেয় মোবাইল ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা। এ সময় ভবনটির চারপাশ ঘিরে রাখে পুলিশ।
সিন্ডিকেট প্রথা বিলোপ ও মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করাসহ নানা দাবিতে আজ (রোববার) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) এই কর্মসূচির ঘোষণা দেয় মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন এমবিসিবি।
সিন্ডিকেট প্রথা বাতিল ছাড়াও ব্যবসায়ীদের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- এনইআইআর সংস্কার ও মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করা। মুঠোফোন ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এনইআইআর বাস্তবায়ন হলে লাখো ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। নতুন এই নিয়মের ফলে শুধুমাত্র একটি বিশেষ গোষ্ঠী লাভবান হবে এবং বাড়তি করের চাপে গ্রাহক পর্যায়েও মোবাইলের দাম বেড়ে যাবে।
এর আগেও দাবি আদায়ে গত রোববার (৩০ নভেম্বর) সারাদেশে মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখেন ব্যবসায়ীরা। ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) সংস্কারের দাবিতে গত ২৯ নভেম্বর রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে সেই কর্মসূচির ঘোষণা দেয় এমবিসিবি।