রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ: এনসিপির নতুন জোটের ঘোষণা

খুব শিগগিরই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক জোটের আবির্ভাব ঘটতে যাচ্ছে—এমন ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী। রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারীর ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা, ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গঠনের লক্ষ্যেই এ জোটের সূচনা। তিনি জানান, জনগণের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে এবং সমানাধিকারভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জোটটি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ৩০০টি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
তার মতে, “দেশ পরিবর্তনের সময় এসেছে, আর সে পরিবর্তন মানুষ-ভিত্তিক নতুন রাজনীতির মাধ্যমেই সম্ভব।”
রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সংবাদ সম্মেলনে পাটোয়ারি জানান, ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজ বিরোধী এই জোট প্রার্থী দিবে ৩০০ আসনে। এসময় দলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, জাতীয় পার্টিকে ব্যবহার করে ভারত ও আওয়ামীলীগ নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রশাসনকে ভাগ বাটোয়ারার চিন্তা থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে বেরিয়ে আসার আহ্বানও জানান এনসিপি নেতারা।
মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাথে দু'দিন ব্যাপী মতবিনিময় শেষে এই সংবাদ সম্মেলন এনসিপির। যেখানে সংগঠনটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, কয়েকদিনের মধ্যেই বিএনপি-জামায়াতের বাইরে গিয়ে নতুন আরেকটি জোট দেখবে দেশের মানুষ। যারা কাজ করবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, একটি নতুন অ্যালায়েন্স দেখতে পাবে দেশবাসী। যারা সংস্কারের পক্ষে, নারীদের পক্ষে, আলেম-ওলামাদের পক্ষে, দুর্নীতি-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে।
এসময় দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, জাতীয় পার্টিকে ব্যবহার করে আসছে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্থ ও দেশ অস্থিতিশীল করার পায়তারা চলছে।
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ভারত এবং আওয়ামী লীগের অর্থনৈতিক যে শক্তিগুলো ছিল তারা জাতীয় পার্টির মাধ্যমেই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্থ ও দেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবে।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রশাসনকে ভাগ বাটোয়ারার চিন্তা থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে বেরিয়ে আসার আহ্বানও জানান এনসিপি নেতারা।