ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন, চূড়ান্ত ৪২,৭৬১ ভোটকেন্দ্র: ইসি

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ৩০০ আসনে ভোটগ্রহণের জন্য মোট ৪২,৭৬১টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। এছাড়া নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ ও সুষ্ঠু করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পদক্ষেপ ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, ভোটকর্মী ও ভোটিং উপকরণ নিশ্চিত করা হবে।
আখতার আহমেদ বলেন, দেশের ৬৪ জেলার ৩০০ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র থাকবে ৪২ হাজার ৭৬১টি। যেখানে মোট ভোটকক্ষ থাকবে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৩৯টি। এরমধ্যে ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭টি পুরুষ ভোটকক্ষ এবং ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০২টি মহিলা ভোট কক্ষ।
ইসির এই সিনিয়র সচিব বলেন, কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা এখনো দু’টি বিষয়ে পিছিয়ে আছি। একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন এবং অন্যটি পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন। এরমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধনের বিষয়ে মাঠপর্যায় থেকে আমরা আরও কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছি। তবে চলতি সপ্তাহেই নতুন রাজনৈতিক দল ও দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধনের বিষয়টি শেষ হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সাময়িকভাবে কিছুটা পিছিয়ে পড়লেও দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, পিছিয়ে পড়ার ক্ষেত্রে আমাদের তাগিদ আছে। কিন্তু দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হওয়ার মতো কোনো কারণ আছে বলে মনে করি না। কেননা, যতটুকু সময় আছে আমরা এরমধ্যেই সেটুকু সম্পন্ন করে নিতে পারব।
গণভোট ও প্রতীক ইস্যুতে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, বিধিমালায় শাপলা প্রতীক না থাকায় এনসিপিকে সেটি দেয়ার সুযোগ নেই, এটি আমরা আগেও বলেছি। নির্বাচন কমিশন স্ব-বিবেচনায় অন্য প্রতীক দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবে। এছাড়া গণভোটের ব্যাপারে আমার কাছে এখনো কোনো তথ্য নেই।