বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj

রায়পুরে অনুমোদন বিহীন নিম্নমানের স্যানিটারি ন্যাপকিন প্যাড তৈরি 

রায়পুরে অনুমোদন বিহীন নিম্নমানের স্যানিটারি ন্যাপকিন প্যাড তৈরি 
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় ‎স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কিংবা বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়ায়  নিম্নমানের স্যানিটারি ন্যাপকিন প্যাড তৈরি করে বাজারজাত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষার নামে প্রতারক চক্রটি অবৈধ কারখানায় নারীদের জরায়ু মুখে ক্যানসার হওয়ার মত নিম্নমানের তুলা, অস্বাস্থ্যকর ঝুট ও ছেঁড়া কাপড় দিয়ে ন্যাপকিন প্যাড তৈরি করে এবং নকল 'রোজ' প্যাড নামে প্যাকেটজাত করে তা বাজারে বিক্রি করছে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রায়পুর-হায়দরগন্জ সড়কের পৌরসভার খাজুরতলা এলাকায় শাহজাহান নামের সার ব্যাবসায়ীর ভবনে অস্বাস্থকর পরিবেশে গড়ে ওঠা ওই কারখানায় স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি করে তা বাজারজাত করা হচ্ছে। 

‎কারখানায় একাধিক নারী ও শিশু  শ্রমিক রয়েছে। তারা  জানান, “আমরা কমিশন ভিত্তিতে কাজ করি। একশ পিস প্যাড তৈরি করলে ২০- ৪০ টাকা মজুরি পাই। কারখানার বৈধ কাগজপত্র আছে কি না জানি না।” আপনারা মালিকের সাথে কথা বলেন।

এই নকল প্যাড তৈরির কারখানা পরিচালনা করেন রায়পুর  শহরের মেঘনা (প্রাইভেট) হাসপাতালের পরিচালক মোশাররফ হোসেন। 

এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান  আমার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স আছে। কারখানার সব বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। মোবাইলে কথা বলব না, সরাসরি দেখা করুন, সব কিছু জানিয়ে দেব।

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও মামুনুর রশীদ পলাশ জানান, অনুমোদন ও মানহীন এসব স্যানিটারি প্যাড ব্যবহারে নারীদের বিভিন্ন সংক্রামক রোগসহ জরায়ু ক্যানসারের আশঙ্কা রয়েছে।

জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের লক্ষ্মীপুরের কর্মকর্তা মনির হোসেন জানান, বিএসটিআই কিংবা স্বাস্থ্য অধিপ্তরের অনুমোদন ছাড়ায় নোংরা ও অস্বাস্থকর পরিবেশে মেয়েদের স্যানিটারি প্যাড তৈরির সুযোগ নেই। সহসায় অভিযান চালানো হবে।

‎এ বিষয়ে রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, “নকল স্যানিটারি প্যাড তৈরির বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন