বিপিএল দুর্নীতি তদন্তে বড় সিদ্ধান্ত, স্থগিত ৪ জন, বহিষ্কার ১

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৫ আসরে ম্যাচ ফিক্সিং ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত শেষে ক্রিকেটারসহ অন্তত চারজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ ছাড়া আরও একজনকে পৃথক দুর্নীতির অভিযোগে “এক্সক্লুশন অর্ডার” দিয়ে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিসিবি জানিয়েছে, দীর্ঘ তদন্ত শেষে ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধে আইসিসি দুর্নীতি বিরোধী কোড লঙ্ঘনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে এবং ১৪ দিনের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিসিবি ইনটেগ্রিটি ইউনিট (বিসিবিআইইউ) এর তদন্তে দেখা যায়, কিছু ব্যক্তি জুয়া সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম, দুর্নীতির প্রস্তাব, তথ্য গোপন এবং তদন্তে অসহযোগিতার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এছাড়া তদন্ত কাজে বাধা সৃষ্টি ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলার অভিযোগও উঠে এসেছে।
একই সঙ্গে বিপিএলের ৯ম, ১০ম এবং ১১তম আসরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে জুয়া, বেটিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগাযোগ এবং খেলোয়াড়দের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বিসিবির “এক্সক্লুডেড পারসন পলিসি” অনুযায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ মেনে নিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার ত্যাগ করেছেন।
বিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তদন্তে আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন কোডের বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে বাজি ধরা, তথ্য গোপন, তদন্তে অসহযোগিতা এবং দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা।
উল্লেখ্য, ২০২৫ বিপিএল চলাকালেই ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। পরে বিসিবি একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করে, যারা প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার একটি রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিট চূড়ান্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।