শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল জিতলেন অ্যানি কারসন ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিপেটা হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ১১৪৪ রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ে দুটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত এনসিটি পরিচালনায় ১৫ বছরের দায়িত্ব পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড জলবায়ু অর্থায়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে ইউএনডিপির সহযোগিতা চাইলেন মিন্টু যুব এশিয়া কাপে ৫ নভেম্বর আফগানিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ মানি চেঞ্জারে একবারে ৩ হাজার ডলার নিতে পারবেন বিদেশগামীরা বিয়ের দিনের চেয়েও সুন্দর, মেহজাবীনের নতুন সাজে মুগ্ধ ভক্তরা কেরানীগঞ্জে সড়কের পাশে রক্তমাখা নবজাতকের দায়িত্ব নিলো ইউএনও
  • বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৈঠকে পাটপণ্যের শুল্ক ও স্থলবন্দর গুরুত্ব পাচ্ছে

    বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৈঠকে পাটপণ্যের শুল্ক ও স্থলবন্দর গুরুত্ব পাচ্ছে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে দ্বিপক্ষীয় যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৬তম বৈঠক আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে শুরু হচ্ছে। দুই দিনের এ বৈঠক শুক্রবার (৯ অক্টোবর) শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

    বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণের পথে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা দূর করা, বাংলাদেশি পাটজাত পণ্যের ওপর ভারতের আরোপ করা অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহার এবং সীমান্তবর্তী স্থলবন্দরগুলোর অবকাঠামোগত জটিলতা নিরসনের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

    আলোচনায় অংশ নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছে।

    বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের এক কর্মকর্তা জানান, বৈঠকে ভারতের কাছে বাংলাদেশের বাণিজ্যসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও প্রস্তাবগুলো তুলে ধরা হবে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে আলোচনায় কোন কোন বিষয় অগ্রাধিকার পাবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    কর্মকর্তারা জানান, যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকটি মূলত দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত ও বাণিজ্যিক বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং সমন্বয়ের একটি প্ল্যাটফর্ম। ফলে বৈঠক থেকে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্তের চেয়ে ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।

    বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বড় বাণিজ্য ঘাটতি দীর্ঘদিনের আলোচিত বিষয়। তবে এবারের বৈঠকের এজেন্ডায় বহুল আলোচিত ‘কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট’ (সিইপিএ) রাখা হয়নি। তারপরও দুই দেশের বাণিজ্য ব্যবধান কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা গুরুত্ব পেতে পারে।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারতে প্রায় ১৭৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। বিপরীতে ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছে প্রায় ১ হাজার ৯৬ কোটি ডলারের পণ্য।

    চীনের পর বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে ভারত থেকে। এসব আমদানির বড় অংশের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক ও শিল্প খাতের প্রয়োজনীয় তুলা, সুতা এবং বিভিন্ন ধরনের কাঁচামাল।

    দুই দিনের বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ ও বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা নিয়ে আলোচনা শেষে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সহজীকরণে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণের কথা রয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন