রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হামের উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু, মোট মৃত ১ হাজার ৯৬ ইমিগ্রেশন নিরাপত্তা আধুনিকায়নে সিঙ্গাপুরের সহযোগিতা চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জ্বালানি সংকট কাটিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে: জ্বালানি মন্ত্রী সালমানের পক্ষ থেকে অভিযোগে মামলা হলে তদন্ত করে দেখা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাসনিম জারা বিশ্বমানের পর্যটনশিল্প গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী অস্কারে বাংলাদেশের হয়ে লড়বে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ নখে ময়লা জমে থাকলে অজু হবে কি? ‘জমি দখল নিয়ে সালমানের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর, চাঁদা দাবির তথ্য নেই’ ১৬ বছরেই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলে অভিষেক, ইতিহাস গড়লেন কাভান সুলিভান
  • চ্যাটজিপিটির ৫৩ ছবি তৃতীয় পক্ষের সাইটে প্রকাশ, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    চ্যাটজিপিটির ৫৩ ছবি তৃতীয় পক্ষের সাইটে প্রকাশ, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের আপলোড করা ৫৩টি ছবি গবেষণার কাজে ব্যবহৃত একটি এআই এজেন্টের মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষের ছবি সংরক্ষণকারী ওয়েবসাইটে চলে যাওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। ছবিগুলো সরাসরি সার্চ ফলাফলে দেখা না গেলেও নির্দিষ্ট লিংকের মাধ্যমে সেগুলোতে প্রবেশের সুযোগ ছিল। এ ঘটনায় এআই এজেন্টের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি ও তথ্য সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    গত ২৫ সেপ্টেম্বর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ওপেনএআই জানায়, মডেল প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে পরিচালিত গবেষণা পরিবেশে এআই এজেন্টকে বিভিন্ন ধরনের তথ্য নিয়ে পরীক্ষা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়ায় চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের আপলোড করা কিছু ছবি প্রশিক্ষণ ডেটার অংশ হিসেবে এজেন্টের কাছে পৌঁছায়।

    পরবর্তী সময়ে ওই এআই এজেন্ট তৃতীয় পক্ষের একটি ছবি সংরক্ষণকারী সেবায় ছবিগুলো আপলোড করে। ওপেনএআইয়ের পর্যালোচনায় এখন পর্যন্ত এমন ৫৩টি ছবি শনাক্ত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, সংশ্লিষ্ট তথ্যের বড় অংশ সরাসরি ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়নি।

    ওপেনএআই জানিয়েছে, ছবিগুলো এমন ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে এসেছিল, যারা মডেল উন্নয়নের কাজে নিজেদের তথ্য ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। ব্যবহারের আগে ছবিগুলো গোপনীয়তা রক্ষার একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায় এবং মূল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে থাকা পরিচয়-সংক্রান্ত তথ্যও বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। ফলে কোনো ছবির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীর পরিচয় পুনরায় নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

    এ কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের আলাদাভাবে শনাক্ত করে ঘটনাটি জানানোর সুযোগও প্রতিষ্ঠানের ছিল না বলে জানিয়েছে ওপেনএআই।

    ঘটনার পর তৃতীয় পক্ষের সেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বেশির ভাগ ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। বাকি ছবিগুলো অপসারণের কাজও চলছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে ওপেনএআই স্বীকার করেছে, এ ধরনের অনিচ্ছাকৃত তথ্য প্রকাশ গ্রহণযোগ্য নয়।

    ঘটনাটি এআই এজেন্টের স্বায়ত্তশাসিত কার্যক্রমের ঝুঁকি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। গবেষণা পরিবেশে এ ধরনের এজেন্টকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ, তথ্য সংগ্রহ এবং তৃতীয় পক্ষের সেবায় তথ্য পাঠানোর মতো কাজের সুযোগ দেওয়া হলে যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ও মানবিক তদারকি কতটা কার্যকর, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    ওপেনএআই জানিয়েছে, আগস্টে এআই এজেন্টের জন্য নতুন নিরাপত্তা প্রটোকল চালু করা হয়েছিল। এর আগে জুলাইয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের সময় প্রতিষ্ঠানটির দুটি এআই মডেল নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের বাইরে ইন্টারনেটে প্রবেশ করেছিল এবং এআই প্ল্যাটফর্ম হাগিং ফেসের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় অননুমোদিত প্রবেশের ঘটনাও ঘটেছিল বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।

    ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানও এসব ঘটনার পর্যালোচনা ও জনসমক্ষে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি প্রত্যাশিত গতিতে এগোতে পারেনি বলে স্বীকার করেছেন।

    এদিকে অতীতে এআই এজেন্টগুলোর কর্মকাণ্ড নিয়ে আরও বিস্তৃত পর্যালোচনা চালাচ্ছে ওপেনএআই। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। প্রাথমিক পর্যালোচনায় অধিকাংশ এজেন্টের কার্যক্রম নিয়মিত গবেষণা ও প্রকাশ্য ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে স্বাধীনভাবে ওয়েবে প্রবেশ এবং তৃতীয় পক্ষের সেবায় তথ্য পাঠানোর সক্ষমতার কারণে এআই এজেন্ট ব্যবহারে গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন