মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কাটলে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: অনিন্দ্য ইসলাম

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, সংকটের অবসান হলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারেও দাম পুনরায় সমন্বয়ের চেষ্টা করবে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জ্বালানি তেল আমদানিনির্ভর দেশ। দেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি তেল উৎপাদন না হওয়ায় বিদেশ থেকে তেল আমদানি করতে হয়। বাংলাদেশ যে অঞ্চল থেকে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে, সেখানে বর্তমানে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। এর প্রভাব পড়েছে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের বাজারে। এতে বিভিন্ন দেশে তেলের দাম বেড়েছে।
তিনি বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে জ্বালানি তেল আমদানি করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি বীমা প্রিমিয়ামসহ অন্যান্য আমদানি ব্যয়ও বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার প্রথমে প্রায় ছয় মাস চেষ্টা করেছে। কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় শেষ পর্যন্ত কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে বলে সরকার আশাবাদী।
তিনি বলেন, সংকটের অবসান হলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামও কমতে পারে। সে ক্ষেত্রে দ্রুত দেশের বাজারে তেলের দাম পুনরায় সমন্বয়ের চেষ্টা করা হবে।
এর আগে সকালে মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন প্রতিমন্ত্রী। জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মেহেরপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিলটন এবং পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়।
মতবিনিময় সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, জেলার উন্নয়নের সম্ভাবনা এবং বিভিন্ন বিদ্যমান সমস্যা তুলে ধরেন।