সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • আগস্টের ২২ দিনেই রেমিট্যান্স ২১৫ কোটি ডলার ছুঁইছুঁই পদ্মা ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৭০৫, মৃত্যু ৩ সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-ফারজানার সম্পদের হিসাব চাইল দুদক বিচারকের বিরুদ্ধে চালককে মারধরের অভিযোগ, ট্রাইব্যুনালের দাবি ‘ঘটেনি’ দুই ইনিংসে শতরানও ছুঁতে পারেনি বাংলাদেশ, এমন নজির বিশ্বে কত? দূতাবাসে হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি, ‘ভুয়া গ্রুপের’ কাজ বলছে ডিবি ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক এগোতে ‘অভিন্ন স্বার্থে’ জোর জয়শঙ্করের ইরানসংশ্লিষ্ট সাইবার হামলায় চার দিন বন্ধ যুক্তরাজ্যের বিদ্যুৎকেন্দ্র শেয়ারবাজারে বড় দরপতন, বিমা খাতে সবচেয়ে বেশি চাপ
  • ফোন চুরি হলে ই-সিম কতটা সুরক্ষা দেবে, জানুন সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা

    ফোন চুরি হলে ই-সিম কতটা সুরক্ষা দেবে, জানুন সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    স্মার্টফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ থাকে ব্যক্তিগত তথ্য ও মোবাইল নম্বরের নিরাপত্তা নিয়ে। ফোনের অবস্থান শনাক্ত করা, সেটি দূর থেকে লক করা কিংবা প্রয়োজন হলে তথ্য মুছে ফেলার ক্ষেত্রে মোবাইল সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ জায়গায় প্রচলিত ফিজিক্যাল সিমের তুলনায় ই-সিম কিছু বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।

    ই-সিম হলো ফোনের ভেতরে থাকা একটি ডিজিটাল সিম প্রোফাইল। এতে আলাদা প্লাস্টিকের সিম কার্ড ব্যবহার করতে হয় না। মোবাইল অপারেটরের দেওয়া প্রোফাইল সক্রিয় হওয়ার পর ই-সিমের মাধ্যমে ফোন কল, এসএমএস ও মোবাইল ডেটা ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যায়।

    চুরি হওয়া ফোনে ই-সিমের সুবিধা কী

    ফিজিক্যাল সিমের অন্যতম দুর্বলতা হলো এটি ফোন থেকে খুলে অন্য ডিভাইসে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু ই-সিম ফোনের ভেতরের হার্ডওয়্যারের সঙ্গে যুক্ত থাকায় সাধারণ সিম কার্ডের মতো খুলে নেওয়া সম্ভব নয়।

    ফলে ফোন চুরি হওয়ার পর চোর সহজে সিম খুলে মোবাইল নেটওয়ার্কের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পারে না। ফোনটি সচল থাকলে এবং নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকলে মালিকের জন্য সেটি শনাক্ত বা নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ কিছুটা বেশি থাকতে পারে।

    ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ সক্রিয় থাকলে ‘ফাইন্ড মাই ডিভাইস’ বা সংশ্লিষ্ট ট্র্যাকিং সেবার সাহায্যে ডিভাইসের অবস্থান শনাক্ত, দূর থেকে লক কিংবা প্রয়োজন হলে তথ্য মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া যায়।

    অন্যদিকে ফিজিক্যাল সিম খুলে ফেলা হলে মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ফোনের সঙ্গে মালিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

    সিম খুলতে না পারার বাড়তি সুবিধা

    ই-সিমের আরেকটি সুবিধা হলো, চুরি হওয়া ফোন থেকে সিম খুলে অন্য ফোনে বসিয়ে ব্যবহার করার সুযোগ থাকে না। ফিজিক্যাল সিমের ক্ষেত্রে চোর সিমটি অন্য ফোনে ব্যবহার করে কল, এসএমএস বা বিভিন্ন এসএমএসভিত্তিক যাচাইকরণ কোড পাওয়ার চেষ্টা করতে পারে।

    ই-সিম এই ধরনের সরাসরি সিম অদলবদলের ঝুঁকি কমাতে পারে। এতে মোবাইল নম্বরের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সেবা ও ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বাড়তে পারে।

    তবে শুধু ই-সিম ব্যবহার করলেই ফোন পুরোপুরি নিরাপদ হয়ে যায় না।

    ই-সিম থাকলেও যেসব ঝুঁকি রয়েছে

    ক্যারিয়ার অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ, সিম সোয়াপ এবং সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো ঝুঁকি থেকেই যায়। কোনোভাবে মোবাইল নম্বরের নিয়ন্ত্রণ অন্যের হাতে চলে গেলে ই-সিম ব্যবহার করলেও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে।

    তাই ই-সিমের পাশাপাশি শক্তিশালী পাসকোড, বায়োমেট্রিক লক এবং মোবাইল অপারেটরের অ্যাকাউন্টে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু রাখা জরুরি।

    ফোন হারালে যা করবেন

    ফোন চুরি বা হারিয়ে গেলে দ্রুত কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। প্রথমে নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। এরপর মোবাইল অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সংশ্লিষ্ট নম্বর বা ই-সিম নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

    পাশাপাশি ‘ফাইন্ড মাই ডিভাইস’ বা সংশ্লিষ্ট ডিভাইস ট্র্যাকিং সেবা ব্যবহার করে ফোনটি লক করা যেতে পারে। প্রয়োজন হলে দূর থেকে ফোনের ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলাও সম্ভব।

    পরবর্তী সময়ে নতুন ডিভাইসে একই মোবাইল নম্বরের ই-সিম পুনরায় সক্রিয় করা যায়। তবে ব্যাংকিং, ই-মেইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টগুলোর পাসওয়ার্ড দ্রুত পরিবর্তন করাও নিরাপদ।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন