বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী জিয়াউর রহমান হত্যা তদন্ত কমিশনের অপ্রকাশিত প্রতিবেদনে কী আছে হাম কেড়ে নিল আরও ৩ শিশুর প্রাণ যশোর থেকে গ্রেপ্তার চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ডেভিড ইমন’ জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিপর্যয়, উদ্ধারকাজ অব্যাহত রেগুলেটরি দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ, ডিএসইর কাছে জবাব চাইল বিএসইসি
  • সহকর্মীর প্রেমে পড়েছেন? সম্পর্ক ও ক্যারিয়ার বাঁচাতে যা করবেন

    সহকর্মীর প্রেমে পড়েছেন? সম্পর্ক ও ক্যারিয়ার বাঁচাতে যা করবেন
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাজ করতে করতে সহকর্মীদের মধ্যে ভালো লাগা বা প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। একসঙ্গে প্রকল্পে কাজ, নিয়মিত যোগাযোগ, কফি বিরতি কিংবা কঠিন সময়ের পারস্পরিক সহযোগিতা—এসব থেকেই অনেক সময় ব্যক্তিগত সম্পর্কের সূচনা হয়। তবে অফিসের সম্পর্ক ব্যক্তিগত জীবনের অন্য সম্পর্কের তুলনায় অনেক বেশি সংবেদনশীল। কারণ, এখানে সহকর্মীদের নজর, অফিসের পরিবেশ এবং পেশাগত সুনামের বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক থাকলেও সেটি যেন পেশাগত দায়িত্ব ও অফিসের পরিবেশে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সেদিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

    সম্পর্ক শুরুতেই প্রকাশ না করাই ভালো

    নতুন সম্পর্কে জড়ানোর পর অনেকেই সহকর্মীদের জানাতে আগ্রহী হন। তবে সম্পর্কটি স্থিতিশীল হওয়ার আগে অফিসজুড়ে তা ছড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়। কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বিষয় যত সীমিত রাখা যায়, ততই অপ্রয়োজনীয় আলোচনা ও গুঞ্জন এড়ানো সম্ভব।

    ব্যক্তিগত বিরোধ অফিসে আনবেন না

    সম্পর্কে মতবিরোধ বা মনোমালিন্য হতেই পারে। কিন্তু সেই প্রভাব অফিসের কাজ বা সহকর্মীদের সামনে আচরণে যেন না পড়ে। কর্মক্ষেত্রে পেশাদার আচরণ বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

    অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে চলুন

    সব সময় একসঙ্গে থাকা, দীর্ঘ সময় কফি বিরতিতে কাটানো বা অফিসের প্রতিটি আয়োজনে নিজেদের আলাদা করে উপস্থাপন করলে অন্যদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকলেও সহকর্মীদের সঙ্গে স্বাভাবিক যোগাযোগ বজায় রাখা উচিত।

    ক্ষমতার ভারসাম্য না থাকলে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন

    যদি একজন অন্যজনের মূল্যায়ন, পদোন্নতি, ছুটি বা কাজ বণ্টনের দায়িত্বে থাকেন, তাহলে স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্ন উঠতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসরণ করে প্রয়োজন হলে সম্পর্কটি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা উচিত।

    অফিস ও ব্যক্তিগত জীবন আলাদা রাখুন

    কাজের সময় পুরোটা একসঙ্গে কাটানোর পরিবর্তে নিজ নিজ দায়িত্ব ও সহকর্মীদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে কাজ করা ভালো। এতে কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব বজায় থাকে এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভারসাম্যপূর্ণ থাকে।

    বার্তা পাঠানোর আগে সতর্ক হোন

    অফিসের গ্রুপ চ্যাট বা অফিসিয়াল যোগাযোগ মাধ্যমে ভুলবশত ব্যক্তিগত বা রোমান্টিক বার্তা পাঠিয়ে ফেললে তা বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। তাই কোনো বার্তা পাঠানোর আগে প্রাপক ও প্ল্যাটফর্ম নিশ্চিত করে নেওয়া জরুরি।

    কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক সফল হতে পারে, তবে তার জন্য পারস্পরিক সম্মান, পেশাদার আচরণ এবং প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত অনুভূতি যেন কখনোই কাজের পরিবেশ বা ক্যারিয়ারের অগ্রগতিতে নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সে বিষয়েই সবচেয়ে বেশি সচেতন থাকা প্রয়োজন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ