বৈশ্বিক উষ্ণায়ন মোকাবেলায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বাংলাদেশের

বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় উন্নত দেশগুলোকে আরও বেশি অর্থায়ন ও দ্রুত সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় বর্তমানে নির্ধারিত বার্ষিক ৩০০ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন পর্যাপ্ত নয়।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের তালিয়ান শহরে অনুষ্ঠিত ‘সামার দাভোস’ সম্মেলনের একটি বিশেষ সেশনে তিনি এ মন্তব্য করেন। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত ‘পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও জলবায়ু নেতৃত্ব’ শীর্ষক সেশনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থায়নের সীমাবদ্ধতার বিষয়টি তুলে ধরেন।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী ধনী দেশগুলোর প্রতি তাদের জলবায়ু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন ও পুনঃখনন, পদ্মা ও তিস্তা অববাহিকার পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, সবুজ অর্থনীতি গড়ে তুলতে পাটশিল্পের সম্প্রসারণ, বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার উন্নয়নশীল দেশগুলোকে রক্ষা করতে বৈশ্বিক সহযোগিতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং পর্যাপ্ত অর্থায়ন নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।