তুরস্কের আধিপত্যেও জয় তুলে নিল অস্ট্রেলিয়া

বল দখল, আক্রমণ এবং পরিসংখ্যান—সব দিক থেকেই দাপট ছিল তুরস্কের। কিন্তু ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় গোলের দেখা পায়নি তারা। অন্যদিকে কাউন্টার অ্যাটাকের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২-০ গোলে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া।
কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৭২ শতাংশ বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল তুরস্কের। তারা গোলের লক্ষ্যে ৮টি শট নেয়। বিপরীতে মাত্র ২টি শট নিয়েও কার্যকর ছিল অস্ট্রেলিয়া। ২০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা ও কনর মেটকাফের গোলে জয় নিশ্চিত করে সকারুজরা।
তুরস্কের আক্রমণ ঠেকাতে বড় ভূমিকা রাখেন অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ। তিনি একাই ৮টি সেভ করেন। কোচ টনি পপোভিচের সিদ্ধান্তে তিনি প্রথমবারের মতো ম্যাথিউ রায়ানের জায়গায় গোলপোস্টে দায়িত্ব পান।
ম্যাচের ২৭তম মিনিটে তিন ডিফেন্ডারের মাঝ থেকে নিচু শটে গোল করেন ইরানকুন্ডা। গোল উদযাপনে তিনি কর্নার ফ্ল্যাগে ঘুষি মেরে অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি টিম কাহিলকে শ্রদ্ধা জানান। তিনি বিশ্বকাপে গোল করা অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়।
৫৭তম মিনিটে আরদা গুলারের একটি শক্তিশালী ফ্রি-কিক রুখে দেন প্যাট্রিক বিচ। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তুরস্কের তরুণ তারকা কেনান ইলদিজ মাঠে নামলেও দলকে গোল এনে দিতে পারেননি।
৭৫তম মিনিটে তুরস্কের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কনর মেটকাফ। এতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি অস্ট্রেলিয়ার দিকে চলে যায়।
তুরস্ক ২০০২ বিশ্বকাপের পর দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বিশ্বমঞ্চে ফিরেছে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া টানা ষষ্ঠ এবং মোট সপ্তম বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। কাতার বিশ্বকাপে তারা শেষ ষোলোতে পৌঁছে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল।