জিভে জল আনা রসুনের আচার

বাঙালির দুপুরের খাবারে ডাল-ভাতের সাথে একটুখানি আচারের ছোঁয়া যেন স্বাদ বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। আচারের তালিকায় আমের পরেই জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে রসুনের আচার। রসুনের কড়া ঘ্রাণ আর মশলার ঝাল-মিষ্টি স্বাদ ভোজনরসিকদের প্রিয়। এই আচারটি একবার বানিয়ে সংরক্ষণ করা যায় অনেকদিন।
উপকরণ
-
রসুন: ৫০০ গ্রাম (খোসা ছাড়ানো কোয়া হলে ভালো)।
-
সরিষার তেল: ২ কাপ।
-
আস্ত সরিষা বা বাটা সরিষা: ২ টেবিল চামচ।
-
আদা ও রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ।
-
পাচঁফোড়ন গুঁড়া: ২ টেবিল চামচ।
-
শুকনা মরিচ গুঁড়া: ১ টেবিল চামচ (ঝাল অনুযায়ী)।
-
হলুদ গুঁড়া: আধা চা চামচ।
-
ভিনেগার বা সিরকা: আধা কাপ (সংরক্ষণের জন্য জরুরি)।
-
চিনি বা গুড়: ২ টেবিল চামচ (মিষ্টিভাব আনতে)।
-
লবণ: স্বাদমতো।
প্রস্তুত প্রণালি
১. রসুনের কোয়াগুলো ছাড়িয়ে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এরপর রোদে বা ফ্যানের বাতাসে শুঁকিয়ে নিন যেন গায়ে পানি না থাকে।
২. একটি কড়াইতে সরিষার তেল ভালো করে গরম করুন। তেল গরম হলে তাতে আস্ত শুকনা মরিচ ও কিছু পাঁচফোড়ন ফোড়ন দিন।
৩. এবার আদা-রসুন বাটা, সরিষা বাটা, হলুদ ও মরিচ গুঁড়া দিয়ে অল্প আঁচে কষাতে থাকুন। খেয়াল রাখবেন যেন মশলা পুড়ে না যায়।
৪. মশলা থেকে তেল ছেড়ে দিলে রসুনের কোয়াগুলো দিয়ে দিন। চুলার আঁচ কমিয়ে ১০-১২ মিনিট রান্না করুন যতক্ষণ না রসুন কিছুটা নরম হয়।
৫. এবার এতে ভিনেগার, চিনি এবং পাঁচফোড়ন গুঁড়া দিন। ভিনেগার আচারকে দীর্ঘকাল ভালো রাখতে সাহায্য করবে।
৬. ঝোল ঘন হয়ে তেল উপরে ভেসে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিন।
সংরক্ষণ টিপস
আচার পুরোপুরি ঠান্ডা হওয়ার পর কাঁচের বয়ামে ভরে রাখুন। বয়ামে আচারের উপরে যেন তেলের স্তর থাকে, এতে আচার নষ্ট হয় না। মাঝে মাঝে কয়েকদিন রোদে দিলে আচারের স্বাদ আরও বৃদ্ধি পায়।