শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মিরাজ-তাইজুলের ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এগিয়ে বাংলাদেশ উড্ডয়নের আগে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, ঢাকায় ফিরতে বিলম্ব শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৮৬ জন তাহসিফের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তের আগে মন্তব্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাদেবপুরে গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পরিদর্শনে ডিডিএলজি সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৩১৫ কর্মসংস্থান ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ
  • কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি: পলিপ শনাক্তকরণেই মূল চ্যালেঞ্জ

    কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি: পলিপ শনাক্তকরণেই মূল চ্যালেঞ্জ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কোলন ক্যান্সার হঠাৎ করে একদিনে শরীরে বাসা বাঁধে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত ধীরগতিতে এবং নিঃশব্দে নিজের অস্তিত্ব তৈরি করে। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, এই মরণব্যাধি সাধারণত ছোট এবং নিরীহ দেখতে একটি ‘পলিপ’ থেকে শুরু হয়। এই পলিপগুলো শুরুর দিকে কোনো শারীরিক উপসর্গ বা লক্ষণ দেয় না বলে মানুষ বুঝতেই পারে না ভেতরে বড় কোনো বিপদ দানা বাঁধছে। তবে সময়মতো সচেতন হলে এই রোগ প্রতিরোধ করা শতভাগ সম্ভব।

    সময়ের খেলা: ৫ থেকে ১০ বছরের সুযোগ

    একটি গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু কম জানা তথ্য হলো, কোলনের এই পলিপগুলো ক্যান্সারে রূপ নিতে প্রায় ৫ থেকে ১০ বছর সময় নেয়। এই দীর্ঘ সময়ে এগুলো খুব ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। এই সুযোগটিকেই কাজে লাগানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। নিয়মিত স্ক্রিনিং বা কোলনোস্কপির মাধ্যমে যদি এই পলিপগুলো প্রাথমিক অবস্থায় খুঁজে বের করে সরিয়ে ফেলা যায়, তবে ক্যান্সার হওয়ার আগেই পুরো প্রক্রিয়াটিকে থামিয়ে দেওয়া সম্ভব।

    স্ক্রিনিং কাদের জন্য জরুরি?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স ৪৫ বছর পার হওয়ার পর প্রত্যেকেরই নিয়মিত কোলন স্ক্রিনিং করানো উচিত। তবে যাদের পরিবারে কোলন ক্যান্সারের ইতিহাস রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই সতর্কতা আরও আগে থেকে নেওয়া প্রয়োজন। আমাদের শরীর অনেক সময় আগাম সংকেত দেয়, কিন্তু সঠিক জ্ঞানের অভাবে আমরা তা এড়িয়ে যাই।

    প্রতিরোধই যেখানে প্রতিকার

    কোলন ক্যান্সার এমন একটি রোগ যার ঝুঁকি মানুষ নিজেই অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার পাশাপাশি সময়মতো পরীক্ষাই এই বিপদমুক্ত থাকার প্রধান চাবিকাঠি। চিকিৎসকদের মতে, কোলনোস্কপি একটি ছোট পরীক্ষা হতে পারে, কিন্তু একটি জীবন বাঁচানোর জন্য এর ক্ষমতা অপরিসীম।

    বিশেষজ্ঞের অভিমত: "অপেক্ষা নয়, বরং সমস্যা শুরু হওয়ার আগেই রোগ নির্ণয় করুন।" কোলন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে প্রাথমিক শনাক্তকরণই কেবল সফল চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন