বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • স্কুল চলাকালীন যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ পৌঁছেছে জ্বালানি সাশ্রয়ে বড় পদক্ষেপ: সাপ্তাহিক ছুটি বৃদ্ধি ও অনলাইন ক্লাসের প্রস্তাব যাচ্ছে মন্ত্রিসভায় সাবেক সংসদ সদস্যের স্ত্রীর ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা আজ নির্ধারণ হচ্ছে জ্বালানি তেলের নতুন দাম হারের বৃত্ত ভাঙতে সন্ধ্যায় মাঠে নামছে বাংলাদেশ পবিত্র ওমরাহ করতে জেদ্দায় নাহিদ ইসলাম দেশে শেষ ৬ টিকার মজুত, ঝুঁকিতে শিশুর স্বাস্থ্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিরোধীদলীয় নেতার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ বিশ্বকাপের টিকিট এখনো অনিশ্চিত যেসব দলের
  • কেন দিতি নায়ক রাজ রাজ্জাককে ‘বাবা’ ডাকতেন?

    কেন দিতি নায়ক রাজ রাজ্জাককে ‘বাবা’ ডাকতেন?
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    পারভীন সুলতানা দিতি ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক সময়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী, যিনি গ্ল্যামার ও অভিনয় দক্ষতার কারণে দর্শকের প্রিয় মুখ হয়ে উঠেছিলেন। আজ (৩১ মার্চ) তার জন্মদিন, বিশেষ এই দিনে তাকে স্মরণ করছেন সহশিল্পী ও ভক্তরা।

    প্রায় চার দশক আগে এফডিসির ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ কার্যক্রমের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন দিতি। অল্প সময়ের মধ্যেই একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে নিয়ে যান সাফল্যের শিখরে। শুধু দর্শকদের কাছেই নয়, সহশিল্পীদের কাছেও তিনি ছিলেন ভীষণ প্রিয়।

    বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়ক রাজ রাজ্জাক জীবদ্দশায় এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “দিতি আমাকে বাবা বলে ডাকত। দিতির স্বামী সোহেল চৌধুরী ও আমার ছেলে বাপ্পা একসঙ্গে পড়ালেখা করেছে। সেই হিসেবে দিতি আমাদের পরিবারেরই একজন ছিল। আমাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।”

    চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরীকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন দিতি। তাদের সংসারে জন্ম নেয় দুই সন্তান-লামিয়া ও দীপ্ত। স্বামীর মৃত্যুর পর পরবর্তীতে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনকে বিয়ে করলেও সেই সংসার বেশিদিন টেকেনি। তবে পর্দায় এই জুটির রসায়ন ছিল দর্শকপ্রিয়।

    ইলিয়াস কাঞ্চন এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমাদের প্রথম ছবি ছিল ‘ভাই-বন্ধু’। সব মিলিয়ে আমরা প্রায় ৩০টির মতো সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছি। দিতি খুব ভালো অভিনেত্রী ছিল। জনপ্রিয়তার পাশাপাশি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছে।”

    ১৯৬৫ সালের ৩১ মার্চ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জন্মগ্রহণ করেন দিতি। ১৯৮৪ সালে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করলেও তার প্রথম অভিনীত ছবি ‘ডাক দিয়ে যাই’ মুক্তি পায়নি। পরে ‘আমিই ওস্তাদ’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তার।

    দীর্ঘ ৩১ বছরের ক্যারিয়ারে দিতি শুধু সিনেমাতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। নাটকে অভিনয়, পরিচালনা, রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, এমনকি গান গাওয়াতেও নিজেকে যুক্ত করেছিলেন। তার একক গানের অ্যালবামও প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞাপনচিত্রেও কাজ করেছেন তিনি।

    দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ২০১৬ সালের ২০ মার্চ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই অভিনেত্রী। তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের দত্তরপাড়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশেই তাকে সমাহিত করা হয়।

    গ্ল্যামার, অভিনয় আর ব্যক্তিত্ব-সব মিলিয়ে দিতি ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নাম, যিনি আজও দর্শকের স্মৃতিতে অমলিন।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন