শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • যুক্তরাষ্ট্রে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে বাংলাদেশি যুবক গ্রেফতার জ্বালানি সংকটে সরকার নির্ধারণ করলো সীমিত তেল এক সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে ২৩০ টাকা, ক্রেতাদের চাপ বেড়েছে বিএনপি এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু ইরান ইস্যুতে অবস্থান বদল ট্রাম্পের, দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিডার সাবেক নির্বাহী সদস্য, স্ত্রী ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার বিআরটিসি চালু করছে ‘মহিলা বাস সার্ভিস’, সব কর্মী নারী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঈদের আগে শক্তিশালী ঝড়ের আশঙ্কা
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান: আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল

    জুলাই গণঅভ্যুত্থান: আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আগামী ৯ এপ্রিল রায় ঘোষণা করবে।

    বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ তারিখ নির্ধারণ করেন। প্যানেলের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

    এ মামলায় বেরোবির তৎকালীন ভিসি হাসিবুর রশীদসহ মোট আসামি ৩০ জন। এর মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন ছয়জন। তারা হলেন- এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।

    ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মঈনুল করিম। আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে, ২৭ জানুয়ারি এ মামলার যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের দিন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের পর প্রসিকিউশনের পক্ষে জবাব দেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। এরপর পাল্টা জবাব দেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

    গত ২১ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শুরু হয়ে শেষ হয় ২৫ জানুয়ারি। তিন কার্যদিবসে যুক্তিতর্কে এ মামলার আদ্যোপান্ত তুলে ধরা হয়। এছাড়া বেরোবি ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সিসিটিভি ফুটেজ ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয়, যা ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সময় ধারণ করা হয়েছিল। মামলার প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপিত এসব ভিডিওতে আসামিরা কে কোথায় ছিলেন এবং তাদের কার্যকলাপ শনাক্ত করে দেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। একইসঙ্গে ৩০ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করা হয়।

    গত বছরের ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল-২। পলাতক আসামিদের পক্ষে ২২ জুলাই স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসেবে চারজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় ৩০ জুন। ২৪ জুন চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আরও পড়ুন