শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj

বারিধারায় নির্মাণশ্রমিক নিহতের ঘটনায় সেই কিশোর চালক সংশোধনাগারে

বারিধারায় নির্মাণশ্রমিক নিহতের ঘটনায় সেই কিশোর চালক সংশোধনাগারে
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে বসে থাকা নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মীমকে প্রাইভেটকার চাপা দিয়ে নিহত করার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৭ বছর বয়সী কিশোর আজান আলী শরীফকে গাজীপুরের কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে আজানকে ঢাকার নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-৮-এ হাজির করা হলে শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফীন ইসলাম আজানকে আদালতে হাজির করেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে আটক রাখার আবেদন করেন তিনি।

আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, দুর্ঘটনার পরপরই প্রাইভেটকারের চালকের আসনের দরজা খুলে আজান আলী শরীফ বের হয়ে আসছেন। তদন্তে ঘটনার সঙ্গে তার প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করে দাবি করেন, আজান চালকের আসনে ছিলেন না; তিনি পাশের আসনে বসেছিলেন। তাদের দাবি, নিহত মেহেদী শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় গাড়ির চালক বারবার হর্ন দিলেও তিনি সময়মতো সরে যেতে পারেননি। এতে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনাটি ঘটে।

আসামিপক্ষের আবেদনে আরও বলা হয়, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং আজানের পরিবারের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে ৯ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।

তবে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত আজানের জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মেহেদী হাসান মীমের মৃত্যুর ঘটনায় তার বড় ভাই মোক্তাদীর ইসলাম বাদী হয়ে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) গুলশান থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করেন।

মামলার এজাহারে আকাশ মারক (৪৪) নামের এক ব্যক্তিকে গাড়িটির মূল চালক হিসেবে আসামি করা হয়েছে। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, আকাশ মারক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে মেহেদীকে চাপা দেন। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন