রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট সংবিধানবিরোধী: হাইকোর্ট মেধা দিয়ে দেশ গড়তে হবে, বিদেশে গেলেও দেশের কথা ভাবতে হবে: ফরিদা খানম কারিগরি ত্রুটিতে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১,৫৬১ ‘আমাকে শুধু টাকা আয়ের মাধ্যম হিসেবে দেখেছে’, পরিবার নিয়ে পপির ক্ষোভ এআই মডেলের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান অ্যানথ্রোপিক সিইওর আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন
  • হঠাৎ দৃষ্টি ঝাপসা হলে সতর্ক হোন: ৫টি বিপজ্জনক সংকেত

    হঠাৎ দৃষ্টি ঝাপসা হলে সতর্ক হোন: ৫টি বিপজ্জনক সংকেত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    অনেকেই দৃষ্টি ঝাপসা হওয়াকে সাময়িক ক্লান্তি বা দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকানো বা ঘুমের অভাব মনে করেন। তবে হঠাৎ এক চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হলে সেটি একেবারেই সাধারণ নয়। এটি চোখ বা শরীরের গুরুতর কোনো রোগের সতর্কবার্তা হতে পারে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে ভবিষ্যতে স্থায়ী দৃষ্টিহীনতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

    চক্ষু বিশেষজ্ঞদের মতে, দৃষ্টির আকস্মিক পরিবর্তন শরীরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা বড় কোনো সমস্যার সতর্কবার্তা হতে পারে।

    কখন ঝাপসা দৃষ্টি বিপদের সংকেত?

    যদি কয়েক সেকেন্ড বা মিনিটের জন্য দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়, তবে সেটি বড় কোনো ঝুঁকির লক্ষণ হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, নিচের কারণগুলোতে এমনটা ঘটতে পারে। যেমন—

    ১. রেটিনাল ডিটাচমেন্ট : চোখের রেটিনা স্থানচ্যুত হওয়া।

    ২. চোখে স্ট্রোক : রেটিনার ধমনিতে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়া।

    ৩. অপটিক নিউরাইটিস : চোখের স্নায়ুর প্রদাহ।

    ৪. অ্যাকিউট অ্যাঙ্গেল-ক্লোজার গ্লুকোমা : চোখের চাপ হঠাৎ বেড়ে যাওয়া।

    ৫. মস্তিষ্কে স্ট্রোক : কখনও কখনও চোখের সমস্যা আসলে চোখের নয়, বরং মস্তিষ্কের হয়। মস্তিষ্কের যে অংশ দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণ করে, সেখানে রক্তক্ষরণ বা রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হলে দুই চোখের বা এক চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যেতে পারে।

    নিজে ডাক্তারি নয়, প্রয়োজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

    সব ক্ষেত্রে দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া বিপজ্জনক নাও হতে পারে। অনেক সময় চোখ শুষ্ক হওয়া, মাইগ্রেন, রক্তে শর্করার ওঠানামা কিংবা চশমার পাওয়ার পরিবর্তনের কারণেও এমন হতে পারে। তবে সমস্যা হলো, একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা কঠিন কোনটি সাধারণ আর কোনটি জরুরি অবস্থা। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজে রোগ নির্ণয় না করে দ্রুত পরীক্ষা করানো জরুরি।

    কারা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন?

    যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ বা রক্তনালির সমস্যা রয়েছে, তাদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে হঠাৎ ঝাপসা দেখা মস্তিষ্কে স্ট্রোকের লক্ষণও হতে পারে। যদি ঝাপসা দেখার সঙ্গে হাত-পা দুর্বল লাগা, কথা জড়িয়ে যাওয়া কিংবা মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ থাকে, তবে কালক্ষেপণ না করে হাসপাতালে যেতে হবে।

    যে লক্ষণগুলো কখনোই উপেক্ষা করবেন না

    ১. চোখে তীব্র ব্যথা বা লালচে ভাব।

    ২. আলোর ঝলকানি বা চোখের সামনে ভাসমান কালো দাগ দেখা।

    ৩. তীব্র মাথাব্যথার সঙ্গে বমি ভাব।

    ৪. হঠাৎ এক চোখে দেখার ক্ষমতা সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলা।

    ৫. শরীরের একদিকে দুর্বলতা বা কথা বলতে অসুবিধা হওয়া।

    কেন দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন?

    চিকিৎসায় দেরি হলে চোখের ক্ষতি স্থায়ী হয়ে যেতে পারে। বর্তমানে আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ইমেজিং পদ্ধতির মাধ্যমে দ্রুত রেটিনার সমস্যা বা স্নায়ুর প্রদাহ শনাক্ত করা সম্ভব। সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনেক ক্ষেত্রে স্থায়ী অন্ধত্ব থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই শরীরের দেওয়া এই সতর্কবার্তাকে গুরুত্ব দিন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন