রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট সংবিধানবিরোধী: হাইকোর্ট মেধা দিয়ে দেশ গড়তে হবে, বিদেশে গেলেও দেশের কথা ভাবতে হবে: ফরিদা খানম কারিগরি ত্রুটিতে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১,৫৬১ ‘আমাকে শুধু টাকা আয়ের মাধ্যম হিসেবে দেখেছে’, পরিবার নিয়ে পপির ক্ষোভ এআই মডেলের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান অ্যানথ্রোপিক সিইওর আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন
  • চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত গাজর খান

    চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত গাজর খান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আধুনিক সময়ে ডিজিটাল স্ক্রিনের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং দূষণের কারণে আমাদের চোখের ওপর প্রতিনিয়ত চাপ বাড়ছে। অল্প বয়সেই চশমা নেওয়া কিংবা দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া এখন সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা আবারও ফিরে যেতে বলছেন প্রকৃতির কাছে। চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যে প্রাকৃতিক উপাদানটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর, তা হলো রঙিন সবজি গাজর।

    গাজরকে চোখের পরম বন্ধু বলা হয় মূলত এর বিশেষ দুটি উপাদানের কারণে:
    ১. বিটা-ক্যারোটিন: গাজরে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন থাকে, যা আমাদের শরীরে প্রবেশ করার পর ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত হয়। ভিটামিন-এ চোখের মণি বা কর্নিয়া সুরক্ষিত রাখতে অপরিহার্য।
    ২. লুটিন ও জিয়াজ্যানথিন: এগুলো শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা সূর্যের ক্ষতিকর বেগুনি রশ্মি থেকে চোখকে রক্ষা করে এবং রেটিনার ক্ষমতা বাড়ায়।

    গাজরের বহুমুখী স্বাস্থ্য উপকারিতা
    গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত গাজর খান তাদের চোখের সমস্যা অন্যদের তুলনায় অনেক কম হয়। এর প্রধান সুবিধাগুলো হলো:

    • রাতকানা রোগ প্রতিরোধ: ভিটামিন-এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। গাজর নিয়মিত খেলে এই ঝুঁকি প্রায় শূন্যে নেমে আসে।
    • ছানি পড়া রোধ: বয়স বাড়লে চোখে ছানি পড়ার প্রবণতা তৈরি হয়। গাজরের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চোখের কোষের ক্ষয় রোধ করে ছানি পড়ার প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়।
    • চোখের শুষ্কতা দূর: দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে কাজ করলে চোখ শুকিয়ে যাওয়ার (Dry Eye) যে সমস্যা হয়, গাজরের পুষ্টি উপাদান তা দূর করতে সাহায্য করে।

    কীভাবে খাবেন?
    পুষ্টিবিদদের মতে, গাজর রান্না করে খাওয়ার চেয়ে কাঁচা খেলে বা জুস করে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়। সালাদে নিয়মিত গাজর রাখা একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, গাজরের ভিটামিন-এ চর্বিতে দ্রবণীয়। তাই সামান্য তেল বা ফ্যাটযুক্ত খাবারের সাথে এটি খেলে শরীর পুষ্টিটুকু দ্রুত শুষে নিতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা
    তবে মনে রাখতে হবে, গাজর কেবল দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে এবং চোখের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। যদি আপনার ইতিমধ্যে পাওয়ারের সমস্যা থাকে, তবে গাজর খেয়ে চশমা ছাড়ানো সম্ভব নয়। এটি মূলত একটি সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।

    চোখের দৃষ্টি অমূল্য সম্পদ। কৃত্রিম প্রসাধনী বা ওষুধের পেছনে না ছুটে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একটি করে গাজর রাখার অভ্যাস করুন। আপনার ছোট এই পরিবর্তনটি অদূর ভবিষ্যতে বড় কোনো চোখের রোগ থেকে আপনাকে মুক্তি দিতে পারে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন