রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট সংবিধানবিরোধী: হাইকোর্ট মেধা দিয়ে দেশ গড়তে হবে, বিদেশে গেলেও দেশের কথা ভাবতে হবে: ফরিদা খানম কারিগরি ত্রুটিতে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১,৫৬১ ‘আমাকে শুধু টাকা আয়ের মাধ্যম হিসেবে দেখেছে’, পরিবার নিয়ে পপির ক্ষোভ এআই মডেলের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান অ্যানথ্রোপিক সিইওর আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন
  • বসন্তে সংক্রমণ বাড়ে, সাবধানে রাখুন ছোটদের

    বসন্তে সংক্রমণ বাড়ে, সাবধানে রাখুন ছোটদের
    ছবি- সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মাম্পস ভাইরাস হাম, পক্স বা রুবেলা-এর মতোই একটি সংক্রামক রোগ, তবে সচেতনতার অভাবে অনেকেই একে গুরুত্ব দেন না। শীতের শেষ ও বসন্তের শুরুতে এই ভাইরাসের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। প্রতি বছরই শহর ও জেলায় মাম্পসের প্রাদুর্ভাবের খবর পাওয়া যায়।

    এই রোগে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি, কাশি বা কথা বলার সময় মুখ থেকে নির্গত লালা ও থুতুর মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাস ছড়িয়ে দিতে পারে। আবহাওয়ার পরিবর্তন যত বেশি হয়, সংক্রমণের আশঙ্কাও তত বাড়ে।

    তাই অভিভাবকদের উচিত শিশুদের মধ্যে উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা। সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে মাম্পসের বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

    মাম্পসের কী কী লক্ষণ নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি

    মাম্পসের টিকা যদি না নেওয়া থাকে, তা হলে রোগটি ছড়াতে পারে। তবে দেশের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্‌থ থেকে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, মাম্পসের ভাইরাস তার রূপ বদলাচ্ছে। আরও বেশি সংক্রামক হয়ে উঠছে। এই ভাইরাস শরীরে ঢুকলে সবচেয়ে আগে লালাগ্রন্থিকে আক্রমণ করে। ফলে মুখ, চোয়াল, গাল ও গলার অংশ ফুলে যায়। তীব্র জ্বর আসে, সঙ্গে মাথায় যন্ত্রণা, বমি এবং কিছু ক্ষেত্রে খিঁচুনিও দেখা দেয়। ফলে খাবার খেতে সমস্যা হয়, কিছু খেলেই বমি হয়ে যায়। এই বিষয়ে সংক্রামক রোগ বিষয়ক  জানাচ্ছেন, মাম্পস হলে যে কেবল গলা ফুলবে বা জ্বর আসবে তা নয়, অনেক শিশুই মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়। এতে মস্তিষ্কে প্রদাহ শুরু হয়। মাথাঘোরা, বমি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, পেশির মারাত্মক খিঁচুনি হতে পারে। আবার কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, মাম্পস ভাইরাস অগ্ন্যাশয়ে গিয়েও বাসা বাঁধে। ফলে হজমে সমস্যা, বমি, প্যানক্রিয়াটাইটিসের মতো রোগ হতেও দেখা যায়।

    সাবধানে থাকবেন কী ভাবে?

    মাম্পস ভাইরাসের সংক্রমণ, তাই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া ঠিক হবে না। তাই জ্বর, গলা ফুলে যাওয়া, পেশির খিঁচুনি শুরু হলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি।

    মাম্পসের তেমন নির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসা নেই, তবে টিকা আছে। একসঙ্গে মাম্পস-হাম-রুবেলার টিকা বা এমএমআর টিকা নিয়ে রাখলে ঝুঁকি কমবে। শিশুর ন’মাস বয়সে প্রথম দেওয়া হয় এই টিকা। পরে দেড় বছর ও পাঁচ বছরে দেওয়া হয় আরও দু’টি বুস্টার ডোজ়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, টিকা নিয়ে রাখলেও বুস্টার ডোজ় নিতেই হবে। না নেওয়া থাকলে, বুস্টার ডোজ় নিয়ে নিতে হবে।

    মাম্পস হলে শিশুকে আলাদা রাখতেই হবে, বাইরে বেরোলে মাস্ক পরা জরুরি।

    খাওয়াদাওয়ায় নজর দিতে হবে। পানি ফুটিয়ে খাওয়াতে হবে শিশুকে। দুধ, ফলের রস, পাতলা খিচুড়ির মতো তরল ও নরম খাবার খাওয়াতে হবে।

    বাইরের কোনও খাবার খাওয়া যাবে না। নিজের ইচ্ছামতো বা ইন্টারনেট খুঁজে ওষুধ খেলে বিপদ বাড়বে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন