নার্ভাস সিস্টেম শান্ত রাখার সহজ নাইট রুটিন

নির্দিষ্ট একটি রাতের রুটিন মেনে চললে শরীরের হরমোনগুলো সহজে ব্যালান্সের দিকে আসতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করার পরামর্শ দিচ্ছেন:
ডিজিটাল ডিটক্স:
ঘুমের আগে স্ক্রিন ও রুম-ভর্তি আলো এড়িয়ে চলুন। নিজেকে শান্ত রাখুন, জিকির করুন বা গ্রাটিটিউট জার্নাল লিখতে পারেন।
উষ্ণ হরমোন-শান্তকারী পানীয়:
রাতে ঘুমানোর আগে দারুচিনি, মৌরি বা ক্যামোমাইল চা খেলে নার্ভাস সিস্টেম শান্ত হয় এবং লিভার ডিটক্সে সাহায্য করে, যা এস্ট্রোজেন ব্যালান্সের জন্য জরুরি।
হালকা স্ট্রেচিং ও মুভমেন্ট:
৫–১০ মিনিট হালকা স্ট্রেচিং, ধীরে মুভমেন্ট বা দেয়ালে পা তুলে শোয়া করলে কর্টিসল কমে এবং গভীর ঘুমের জন্য শরীর প্রস্তুত হয়।
মাইন্ড ডাম্প / গ্রাটিটিউট জার্নাল:
রাতের ৫ মিনিট এই প্র্যাকটিস করলে মানসিক চাপ কমে এবং মন শান্ত থাকে।
বেডটাইম স্ন্যাকস:
রাতে ঘুম ভাঙলে কর্টিসল স্পাইক হতে পারে। ক্ষুধা লাগলে পিনাট বাটার, বাদাম বা বীচি জাতীয় হালকা খাবার খান। এতে রক্তের শর্করা স্থির থাকে।
সঠিক সময় ঘুমানো:
রাত সাড়ে দশটার মধ্যে ঘুমান। রাত সাড়ে দশটা থেকে দুইটার মধ্যে শরীরের রিপেয়ারমেন্ট ও ডিটক্সিফিকেশন হয়। এই সময় মেলাটোনিন, গ্রোথ হরমোন এবং প্রজেস্টেরন হরমোন ব্যালান্স হয়।
নাইট টাইম রুটিন ঠিক থাকলে হরমোনগুলোও ধীরে ধীরে ব্যালান্সের দিকে আসে। তাই আজ থেকেই নিজের রাতের রুটিনের দিকে যত্নশীল হওয়া উচিত।
দৈএনকে/জে, আ